দিল্লি- মেহরৌলি রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যে কি 'লাভ জিহাদ', তদন্তের দাবি বিজেপি বিধায়কের
দিল্লি- মেহরৌলি রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যে কি 'লাভ জিহাদ', তদন্তের দাবি বিজেপি বিধায়কের
দিল্লিতে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। লিভ-ইন পার্টনারকে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। শহরের বিলাবহুল হোটেলে নারকীয় ভাবে হত্যা করা হয়। মাংস কাটার ছুরি দিয়ে লিভ-ইন পার্টনারের দেহ কেটে টুকরো করা হয়। লিভ ইন পার্টনারকে খুন করে তাঁর দেহের টুকরো শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

নারকীয় হত্যাকাণ্ড দিল্লিতে
ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে রাজধানী দিল্লিতে। মুম্বইয়ের বাসিন্দা শ্রদ্ধা ওয়ালকার। দিল্লিতে থাকতেন কর্মসূত্রে। প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে দিল্লিতে একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। লিভ ইন করতেন তাঁরা। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর খোঁনও খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবারের লোকেরা। তার অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রাকাশ্যে আসে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। প্রেমিক আমিন পুনাওয়ালা প্রেমিকাকে খুন করে তাঁর দেহের ৩৫ টুকরো করে ঘরের ফ্রিজে ভরে রেখেছিল। তার পরে রাতের অন্ধকারে তাঁর দেহের অংশ গুলি জঙ্গলে গিয়ে ফেলে আসত সে।

হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড
লিভ ইন পার্টনার আফতাব আমিন পুনাওয়ালাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল শ্রদ্ধা। সেকারণেই তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। হত্যাকাণ্ডে পর প্রেমিক অপরাধ লোকাতে নারকীয় পথ বেছে নিয়েছিল। মাংস কাটার ছুরি দিয়ে শ্রদ্ধার দেহের ৩৫ টুকরো করে সে। তারপর সেটা ঘরের ফ্রিজে রেখে দিয়েছিল সে। প্রতিদিন রাতের অন্ধকারে জঙ্গলে গিয়ে ফেলে আসত একটি করে দেহের টুকরো। ১৮ দিন ধরে দিল্লির মেহেরৌলির জঙ্গলে শ্রদ্ধার দেহের টুরো ফেলে দিয়ে আসছিল তারা।

ক্রাইম -থ্রিলার দেখে খুনের পরিকল্পনা
আফতাব আমিনকে গ্রেফতার করার পর পুলিশ জেরায় জানতে পারে একটি ক্রাইম সিরিয়াল দেখে শ্রদ্ধাকে খুন করে দেহাংশ লোপাট করতে শুরু করেছিল সে। শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন করার পর আফতাব তার দেহের ৩৫টি টুকরো করে। সেগুলি প্যাকেটে ভরেছিল সে। খুন করার পর অনলাইনে খাবার এনে খায়। প্রতিদিনের মত রাতে িটভি দেখে। এমনকী নিয়মিত অফিসও করেছিল সে। খুন করার পরের দিনই একটি ফ্রিজ কিনে আনে আফতাব। সেই ফ্রিজে ভরে রাখা হয় শ্রদ্ধার দেহের অংশগুলি। যাতে ঘরে দুর্গন্ধ না বেরোয় তার জন্য ধূপ জেলে দেয়। তারপর রোজ রাত ২টো নাগাগ বেরিয়ে মেেহরৌলির জঙ্গলে গিয়ে দেহের টুকরো গুলো ফেলে আসত সে। ১৮ দিন ধরে এই ভাবেই শ্রদ্ধার দেহের অংশ লোপাট করেছিল আফতাব।

লাভ জিহাদের অভিযোগ
এদিকে এই ঘটনার নেপথ্যে লাভ িজহাদ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের। শ্রদ্ধা হিন্দু মারাঠি পরিবারের মেয়ে। আর আফতাব মুসলিম। এরই মধ্যে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে শ্রদ্ধাকে খুন করার পরেও একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন আফতাব। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সেই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল আফতাবের। শ্রদ্ধার দেহ তখনও ফ্রিজে রাখা ছিল। তারমধ্যেই সেই তরুণীকে বাড়িতে ডেকে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন আফতাব। সেই তরুনিকে ডেকেও জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। আদরের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন শ্রদ্ধার বাবা।












Click it and Unblock the Notifications