Delhi Assembly Election 2025: দিল্লিতে আপ সাফ! কোন ফ্যাক্টরগুলিতে শোচনীয় হাল কেজরির দলের?
Delhi Assembly Election 2025: দিল্লিতে রাজনৈতিক পালাবদল। আজ ভোটগণনা শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, এগজিট পোলকে সত্য প্রমাণ করে ২৭ বছর পর দিল্লিতে সরকার গড়ছে আম আদমি পার্টি।
কেজরির দল আপ আশায় ছিল এগজিট পোল মিলবে না। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, বিশেষ করে মধ্যবিত্তদের অসন্তোষই কেজরির আপের হাল শোচনীয় করে তুলল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান, যে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় ও পূর্বাঞ্চলী ভোটাররা ২০১৫ ও ২০২০ সালে ঢেলে আপকে আশীর্বাদ করেছিল, সেই ভোটটাই এবার চলে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরে। বিজেপি এখনও অবধি যে আসনগুলিতে এগিয়ে তার সিংহভাগই মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের ভোটার অধ্যুষিত।
এই আসনগুলি রয়েছে মূলত পশ্চিম, পূর্ব, দক্ষিণ, মধ্য ও নতুন দিল্লির। সেই সঙ্গে ২৫টি এমন বিধানসভা আসন রয়েছে যেখানে পূর্বাঞ্চলী ভোটাররা রয়েছেন। বিশেষ করে যাঁরা উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে আসা মানুষজন। তাঁদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলো।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ, ট্রান্স যমুনা রিজিওনের ২০টি আসনে যেখানে বেশিরভাগ কলোনি রয়েছে সেখানেও এবার আপকে টক্কর দিয়ে ভালো ফল করার পথে এগোচ্ছে বিজেপি। মনে রাখতে হবে, ২০১৫ ও ২০২০ সালে যেখানে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মাত্র ৩ ও ৮টি আসন পেয়েছিল তারাই বিপুল সংখ্য়াগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে।
দিল্লির ভোটারদের মধ্যে ৪০ ভাগই মধ্যবিত্ত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে যেভাবে বিজেপির পরবেশ ভার্মা টক্কর দিচ্ছেন তাতেই স্পষ্ট মধ্যবিত্তরা মোটেই খুশি নয় আপের উপর। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাজেটে কর ছাড়-সহ একাধিক ঘোষণাও মধ্যবিত্তদের আস্থা অর্জনে সাহায্য করল বিজেপিকে।
আপ সরকারের আমলে দিল্লিকে সামলাতে হয়েছে পরিবেশ ও জল দূষণের মতো বিষয়গুলি। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও উল্লেখযোগ্য কাজ করতে পারেননি কেজরিওয়াল। সেই সঙ্গে আপ জড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতির নাগপাশে। অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণাও সরকারি কর্মচারীদের মন জিততে সাহায্য করল বিজেপিকে।












Click it and Unblock the Notifications