করোনা যুদ্ধে কতদিনের 'স্থানীয় লকডাউন' প্রয়োজন! গবেষণায় তাক লাগানো তত্ত্ব উঠল
করোনা যুদ্ধে কদিনের 'স্থানীয় লকডাউন' প্রয়োজন! গবেষণায় তাক লাগানো তত্ত্ব
করোনার হাত থেকে যে সহজে মুক্তি পাওয়া যাবে না, তা আগেই জানান পাওয়া গিয়েছে। তবে করোনার ভ্যাকসিন যতদিন না আবিষ্কার হচ্ছে ততদিন এই যুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র রাস্তা কেবলই সোশ্যাল ডিসটেন্সিং। আর তার জন্যই কলকাতার গবেষকরা একাধিক বার্তা দিয়েছেন লকডাউন নিয়ে। তাঁদের প্রকাশিত হতে চলা গবেষণা পত্রে মিলেছে করোনা নির্মূলের রাস্তা নিয়ে বহু তথ্য।

করোনা যুদ্ধ ও গবেষণা
শহরের দুই নামী প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা একযোগে একটি গবেষণার 'পেপার' প্রকাশ করতে চলেছেন। সেখানে করোনার 'টেম্পোরারি ইরাডিকেশন অফ স্প্রেড অফ টাইম' সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য দেওয়া রয়েছে। বলা হচ্ছে, করোনা নির্মূলে লকডাউন অত্যন্ত জরুরি। লকডাউনের সময়সীমাও সেখানে উল্লেখ করা রয়েছে।

কতদিনের লকডাউন প্রয়োজন?
কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটের ও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন অ্যান্ড পাবলিক হেল্থের গবেষকরা বলছেন, লকডাউন জনসংখ্যা ও দিনের অনুপাতে করা গেলে তার ভালো প্রভাব পড়তে পারে করোনা যুদ্ধে। উল্লখ্য, ২১ দিনের লকডাউনের পর আরও ১৯ দিনের লকডাউনে ভারত।এমন পরিস্থিতিতে এই গবেষণা বেশ কার্যকরী বার্তা দিচ্ছে।

স্থানীয় লকডাউন প্রয়োজন
গবেষকদের দাবি, করোনা মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে লকডাউন করাও প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ২২ থেকে ২৯ দিনের লকডাউন একটি এলাকায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে অই লকডাউন ৪৩-৬৮ জনের বসবাস যুক্ত এলাকায় করলে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে।

এতে করোনার প্রভাব কি কমবে?
কলকাতার গবেষকদের দাবি, এভাবে যদি স্থানীয়ভাবে লকজাউন করা যেতে পারে তাহলে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করোনাকে ধ্বংস করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে তাঁরা রাজস্থানের ভিলওয়াড়া মডেলের প্রসঙ্গকেও তুলে ধরছেন। তাঁদের দাবি, একমাত্র কঠোর লকডাউনই পারে করোনার সংক্রণ কমাতে।












Click it and Unblock the Notifications