সব্জির বাজার, মুদি দোকান থেকে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস! বন্ধ করার কথা ভাবছে সরকার?
বাজারের দোকানিরা সব্জির মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন। অবশ্যই বিষয়টা অনিচ্ছাকৃত। তবে এতে সরকারের কপালে দেখা দিয়েছে চিন্তার ভাঁজ। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে দেশে গত প্রায় ৫০ দিন ধরে চলছে লকডাউন। তবে মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে সব্জি বাজার থেকে মুদি দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এরই মধ্যে দেশে ক্রমে বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসের সংকট।

বাজারে কড়াকড়ি কই?
কষ্ট হলেও সাধারন মানুষ চেষ্টা করছেন, যতটা সম্ভব কম বাইরে বেরোনো যায়। তবে সাধারণ মানুষের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা চালু রাখার কথা ঘোষণা করেছে সব সরকার। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে মানা হলেও, ব্যতিক্রম বহু জায়গা।

চেন্নাইয়ের এক বাজারে যা হল
এরই মধ্যে সামনে আসে চেন্নাইয়ের এক বাজারের খবর। চেন্নাইয়ের কোয়ামবেড়ু বাজারের থেকেই তামিলনাড়িতে ৩৫ শতাংশ করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। আর এই তথ্যই সব্জি বাজার নিয়ে নতুন করে ভাবাচ্ছে সরকারকে। এখনও পর্যন্ত অন্তত তিন হাজার কোভিড পজিটিভ রোগীকে চিহ্নিত করা হয়েছে চেন্নাইয়ের ওই বাজার ও তার সংলগ্ন এলাকা থেকেই।

দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে
দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণে জর্জরিত দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ু। বর্তমানে করোনা সংক্রমণের নিরিখে দিল্লিকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে রাজ্যটি। তামিলনাড়ুতে সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২২৭ জনে। রাজ্য দফতরের হিসেব বলছে আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত চার হাজার জন বাইরের কোনও দেশ থেকে অথবা ভিন রাজ্য থেকে সংক্রমণ নিয়েই ঢুকেছিলেন।

তামিলনাড়ুর করোনা পরিস্থিতি
তামিলনাড়ুর বাকি কয়েকটা জায়গায় নিয়ম শিথিল হলেও, চেন্নাইয়ে এখনও কঠোর লকডাউন পালিত হচ্ছে। একই কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে কোয়াম্বাতোর এবং মাদুরাই শহরে। এই কয়েকটি শহর ছাড়া রাজ্যের বাকি জায়গাগুলিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দোকানপাট খোলার অনুমতি মিলেছে। খুলেছে সরকারি এবং বেসরকারি অফিসও। ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছে সে সব জায়গায়।












Click it and Unblock the Notifications