Lok Sabha Election: নির্বাচনী আধিকারিকদের নিয়োগে সরকারের হস্তক্ষেপ রোধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন কংগ্রেস নেত্রীর
লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার কয়েকদিন আগে নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে অরুণ গোয়েলের পদত্যাগ নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এরপর শনিবার বিকেলে আচমকাই আরেক নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। ফলে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনারের পদে এখন মাত্র ১ জন রয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কংগ্রেস।
নিয়ম অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি নাম সুপারিশ করার আগে একটি সার্চ কমিটি তৈরি হবে। এই কমিটিতে থাকবেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী ও দুই সচিব। এই কমিটি পাঁচজনকে প্রাথমিকভাবে বেছে নেবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিয়োগ কমিটি একজনের নাম বেছে নেবে। সেই নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে সরকারি হস্তক্ষেপ রোধ করতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর।

মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেত্রীর দ্বারা দাখিল করা আবেদনটি কেন্দ্রকে নির্বাচনী সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা থেকে সরকারকে বিরত রাখার জন্য করা হয়েছে। এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন, ২০২৩ অনুসারে।
ভারতের লোকসভা নির্বাচন এবং অঙ্গ রাজ্য গুলির বিধানসভা নির্বাচন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে হয়। কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য পদে নিয়োগে সরাসরি সরকারের ভূমিকা থাকে। এতে অনেক ক্ষেত্রেই বিরোধীরা অভিযোগ করেন নির্বাচন কমিশনের নিরপক্ষেতা নিয়ে। এই প্রেক্ষাপটে সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ থেকে দূরে রাখতে আইনী লড়াইয়ে নামলেন কংগ্রেস নেত্রী।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন ২০২৩ অনুসারে, ভারতের প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য নির্বাচন প্যানেল থেকে বাদ দিয়েছে, ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি বিচারাধীন।
৯মার্চ, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল তার পদত্যাগের ঘোষণা করেছিলেন, যা ইসিআই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার কয়েকদিন আগে একটি আশ্চর্যজনক পদক্ষেপ হিসাবে এসেছিল।
জাতীয় স্তরের সংবাদ মাধ্যম গুলির প্রতিবেদন অনুসারে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে তাঁর মতপার্থক্য ছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই নাকি তিনি ইস্তফা দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক কালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বেশ কিছু বিষয়ে মতানৈক্য দেখা দিয়েছিল। যদিও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই পদ ছাড়েন গোয়েল।
এনিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা শুরু হয়েছে। একটা বিষয় মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে অরুণ গোয়েলের নিয়োগকে চ্যালেঞ্চ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সূত্রের খবর, আগামী শনিবার লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার কথা ছিল। নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েলের পদত্যাগের পর ওই দিন পিছোতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications