মোদী সরকারের শ্বেতপত্রের জবাবে কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্র! ঠিক কী প্রকাশ করতে চলেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে
কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ইউপিএ শাসনকাল নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে। যার পাল্টা হিসেবে কংগ্রেস জানিয়েছে, তারা মোদী সরকারের শাসনকাল নিয়ে কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করবে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এই কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করবেন বলে জানা গিয়েছে।
কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি জানিয়েছে, তারা শ্বেতপত্রে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ যখন শাসন ক্ষমতা ছেড়েছিল, তখনকার অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরার পাশাপাশি তারপর থেকে কীভাবে বর্তমান অবস্থায় এসেছে, তা তুলে ধরা হবে। বিজেপি নেতা তথা অর্থ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জয়ন্ত সিনহা দাবি করেছেন, ২০১৩ সালে ইউপিএ শাসনের সময়ে ভারত বিশ্বের ভঙ্গুর পাঁচ অর্থনীতির মধ্যে একটি ছিল।

ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের সাংসদ দাবি করেছেন, ইউপিএ শাসনের সময়ে ভারতের জিডিপি ৫ শতাংশ নেমে গিয়েছিল। মুদ্রাস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। ব্যাঙ্কগুলির এনপিএ ১০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। দেশ অর্থপ্রদানের ভারসাম্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। জয়ন্ত সিনহা বলেছেন, ২০১৪ সালে কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে মোদী সরকার দেশে পরিবর্তন আনে।
জয়ন্ত সিনহা বলেছেন, শ্বেতপত্রে সরকার স্পষ্ট করবে, ২০১৪ সালের আগে দেশের অর্থনীতির অবস্থান কী ছিল। পরবর্তী সময়ে সরকার কীভাবে আর্থিক সমস্যার মোকাবিলা করেছে, তাও শ্বেতপত্রে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিনে বাজেট অধিবেশনের দিন শনিবার পর্যন্ত একদিন বাড়ানো হয়েছে। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেছেন, সরকার ২০১৪ সালের আগে ও পরে ভারতের অর্থনীতির অবস্থা তুলনা করে শ্বেতপত্র তৈরি। ওই সময়েই কংগ্রেসকে পরিজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসে।
তিনি বলেছেন, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ক্ষমতা ছাড়ার সময় দেশের দুর্বল আর্থিক অবস্থা তুলে ধরতে শ্বেতপত্র পেশ করবেন। সেখানে তিনি বলবেন, বর্তমান মোদী সরকার কীভাবে বর্তমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে। প্রসঙ্গত গত ১ ফেব্রুয়ারি তাঁর ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, সরকার সেইসব বছরের আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠেছে এবং অর্থনীতিকে সর্বাত্মক উন্নয়নের সঙ্গে একটি উচ্চ টেকশই প্রবৃদ্ধির পথে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন, ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমরা কোথায় ছিলাম এবং এখন কোথায় আছি, কেবল সেইসব বছরের অব্যবস্থাপনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার উদ্দেশেই সরকার শ্বেতপত্র সংসদের টেবিলে রাখবে। সাধারণভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সংসদে কাজ হয় না। কিন্তু অতীতে এমন উদাহরণ করেছে, যখন হাউজ শনিবার বসেছে।












Click it and Unblock the Notifications