অযোধ্যা বিতর্কে রায়! প্রধান বিচারপতি জানালেন তাঁর কথা
অযোধ্যা বিষয়ে গভীরতা আর গুরুত্ব নিয়ে বিচারপতিরা ওয়াকিবহাল। এদিন এমনটাই বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।
অযোধ্যা বিষয়ে গভীরতা আর গুরুত্ব নিয়ে বিচারপতিরা ওয়াকিবহাল। এদিন এমনটাই বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তিনি বলেন, তাঁরা খুবর শীঘ্রই রায় দিতে চান। মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া চলাকালী প্রকাশ্যে কোনও আলোচনা নয়, জানিয়েছেন তিনি।

অযোধ্যায় রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ জমি বিতর্কে মধ্যস্থতা নিয়ে রায় স্থগিত রাখে সর্বোচ্চ আদালত। মধ্যস্থতার বিরোধিতা করেছিল হিন্দু সংগঠনগুলি। মুসলিম সংগঠনগুলি মধ্যস্থতার পক্ষে সায় দিয়েছিল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি বলেছেন, একজন মধ্যস্থতাকারী নয়, একদল মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন। কেননা বিষয়টি ধর্মীয় ভাবাবেগের বিষয়।
Ayodhya Ram Janmabhoomi-Babri Masjid land dispute case: CJI Ranjan Gogoi says, "Parties to suggest name for mediator or panel for mediators. We intend to pass the order soon." https://t.co/RwLu1ndGMU
— ANI (@ANI) March 6, 2019
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিচারপতি এসএ বোবডে বলেছেন, আগে যা ঘটে গিয়েছে, তার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কে হামলা চালিয়েছিল, কে রাজা ছিল, সেখানে মন্দির না মসজিদ ছিল। সবাই বর্তমান বিতর্কের কথা জানেন। আমরা শুধুমাত্র বিতর্কের সমাধান নিয়ে ওয়াকিবহাল। মন্তব্য করেছেন তিনি।
SC on Ayodhya Ram Janmabhoomi-Babri Masjid land dispute case: Justice SA Bobde says, “We have no control over what happened in the past, who invaded, who was the king, temple or mosque. We know about the present dispute. We are concerned only about resolving the dispute," pic.twitter.com/23dEMnKrMH
— ANI (@ANI) March 6, 2019
এর আগে অযোধ্যা মামলা নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল মার্চের ৫ তারিখে এই নিয়ে একটি নির্দেশ দেওয়া হবে। সেখানে জাননো হবে, মধ্যস্থতার বিষয়ে শীর্ষ আদালত থাকবে কি না। এর আগে , জাস্টিস বোবড়ে বাদি বিবাদী দুই পক্ষের মতামত শুনে শীর্ষ আদালতের মধ্যস্থতার বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ দেন। সেই মতোই আইনি পদক্ষেপ নিয়ে এগোয় এই মামলা।
২০১০-এর ৩০ অক্টোবর এলাহাবাদ হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। হাইকোর্টের রায়ে বিতর্কিত ২.৭৭ একর
জমি তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। তিন ভাগ ছিল, নির্মোহী আখাড়া, উত্তর প্রদেশের সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড এবং রাম লালা।












Click it and Unblock the Notifications