দোলাচল কাটিয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন। রাঁচির রাজভবনের দরবার হলে এই শপথ অনুষ্ঠান হল। রাজ্যের সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন জেএমএম - এর দুঁদে রাজনীতিবিদ চম্পাই। হেমন্ত সোরেন গ্রেফতার হওয়ার পরেই ঝাড়খণ্ডে টালমাটাল হয়েছিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন ওই রাজ্যে? তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল৷ সরকার কি তাহলে পড়ে যাবে? সেই চর্চাও শুরু হয়েছিল। হেমন্ত সোরেনের স্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। এই চর্চায় জেএমএম দল ও মন্ত্রিসভাতেও চাপা বিরক্তি, বিদ্রোহ তৈরি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত চম্পাই সোরেনকেই রাজ্য পরিচালনার জন্য বাছাই করেছিলেন হেমন্ত।

আজ শুক্রবার সোয়া বারোটার পরে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণ। বৃহস্পতিবার বিকেলেও মুখ্যমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করানো নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল বলে খবর। পরে রাতে জানা যায়, জট কেটেছে। রাজভবন থেকে শপথগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের প্রধান হেমন্ত সোরেন গ্রেফতার। জেএমএম দলের মধ্যেও বেশ কিছু চাপানউতোড় তৈরি হয়েছে। তার মধ্যেই শুক্রবার নির্দিষ্ট সময়ে শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন। তাঁর সঙ্গে আরও দুই মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। কংগ্রেসের আলমগির আলম ও আরজেডির সত্যানন্দ ভোগতা শপথ নেন। এই দুজন হেমন্তের মন্ত্রিসভাতেও ছিলেন।
ফলে প্রাথমিক ধাক্কা কাটানো সম্ভব হয়েছে। এই কথা মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। কারণ, বিধায়ক কেনাবেচার একটা আশঙ্কা করা হচ্ছিল। সরকার ফেলে দেওয়া হতে পারে। এমন চর্চাও উঠে এসেছিল। প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার দরকার ছিল। সেজন্য চম্পাই সোরেনের হাতে ছিল ১০ দিন সময়। তার মধ্যেই বিধায়ক, মন্ত্রী কেনাবেচা হয়ে যেতে পারে। এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
তবে শুক্রবার বেলা পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। সেই খবরই পাওয়া গিয়েছে। ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। সরকার গঠনের জন্য ম্যাজিক ফিগার ৪১। জেএমএম, কংগ্রেস, আরজেডি জোট রয়েছে এখানে। সকলেই জোটের পক্ষে রয়েছে। সেই দাবি করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে চম্পাই সোরেনের সমর্থনে ৪৩ জন বিধায়ক রয়েছেন বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications