জাতীয় পঞ্জীকরণের চূড়ান্ত খসড়া! কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অসম
ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অফ সিটিজেনের ফাইনাল ড্রাফট প্রকাশের আগে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অসম। নতুন করে প্রায় ২২ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান পাঠানো হয়েছে অসমের নিরাপত্তায়।
ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অফ সিটিজেনের ফাইনাল ড্রাফট প্রকাশের আগে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অসম। নতুন করে প্রায় ২২ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান পাঠানো হয়েছে অসমের নিরাপত্তায়। ৩০ জুলাই ফাইনাল ড্রাফট প্রকাশের পর যাতে কোথাও কোনও উত্তেজনা না ছড়ায় সেইজন্যই আগাম ব্যবস্থা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে রাজ্যের উত্তেজনাপূর্ণ জায়গায়গুলিতে এইসব আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
অসমের নিরাপত্তার সবমিলিয়ে ২২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৫৩ কোম্পানি সিআরপিএফ, সশস্ত্র সীমা বলের ৪১ কোম্পানি, ৪০ কোম্পানি বিএসএফ, আইটিবিপি, সিআইএসএফ এবং আরপিএফ যথাক্রমে ২৭, ২০ ও ৫ কোম্পানি করে।
এছাড়াও ৩৪ কোম্পানি বিশেষ বাহিনী পাঠানো হয়েছে অসমে।
রাজ্যে থাকা ১০৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘুরিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়।
কেন্দ্রের তরফে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যাদের নাম ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অফ সিটিজেনের ফাইনাল ড্রাফটে থাকবে না, তাদের বিরুদ্ধেও যেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়। পড়শি রাজ্যগুলিকেও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
দিন দুয়েক আগেই বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল।
অসমে সিটিজেন মিনিস্ট্রির তালিকায় নাম না থাকা বাসিন্দাদের ভয় কমানোর চেষ্টা করেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল আশ্বস্ত করে বলেন, যদি ফাইনাল ড্রাফ্টেও কারও নাম না থাকে তাহলে কাউকেই বিদেশি বলে চিহ্নিত করা হবে না।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ দাবি ও অভিযোগ জানানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন। যদি তাতেও কেউ সন্তুষ্ট না হন, তাহলে ফরেনার্স ট্রাইবুনালেও যাওয়া যাবে।
৩০ জুলাই ফাইনাল ড্রাফট প্রকাশিত হবে। প্রথম ড্রাফট প্রকাশিত হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারির মধ্যবর্তী সময়ে। সেখানে ৩. ১৯ কোটি আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ১.৯ কোটি মানুষের নাম ছিল।












Click it and Unblock the Notifications