Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Census: জনগণনার কাজ শুরু হচ্ছে খুব শীঘ্রই, প্রথম ধাপে কী কী হবে সেটাও জানিয়ে দিল কেন্দ্র সরকার

২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে জনগণনার প্রথম ধাপের কাজ শুরু হবে। এই ধাপে দেশের বাড়িগুলির তালিকা তৈরি করা হবে। রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার তরফে এই খবর জানানো হয়েছে।

জনগণনা কমিশনার ও রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার তরফে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যসচিবদের একটি চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে দেশে বাড়িঘর তালিকাভুক্ত করার কাজ শুরু হবে। এই কাজের আগে সুপারভাইজার ও গণনাকারীদের নিয়োগ করা হবে। রাজ্য এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মধ্যে কাজের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে।

জনগণনা মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে অর্থাৎ 'হাউসলিস্টিং অপারেশন'-এ, প্রতিটি পরিবারের আবাসন, সম্পদ এবং সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে, যা 'পপুলেশন এনিউমারেশন' (PE) নামে পরিচিত, প্রতিটি ব্যক্তির ডেমোগ্রাফিক (demographic), আর্থ-সামাজিক (socio-economic), সংস্কৃতি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। চিঠি অনুযায়ী, এই দ্বিতীয় ধাপটি ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা। জনগণনার সময় জাতির ভিত্তিতে তথ্যও সংগ্রহ করা হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

এই জনগণনার কাজে ৩৪ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী ও সুপারভাইজার এবং প্রায় ১.৩ লক্ষ জনগণনা কর্মী নিযুক্ত হবেন। এটি হবে ১৬তম জনগণনা। এবারের জনগণনা ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। জনগণনার জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হবে এবং জনগণ নিজেরাই নিজেদের তথ্য দিতে পারবেন সেই ব্যবস্থাও রাখা হবে।

রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং জনগণনা কমিশনারের কার্যালয় নাগরিকদের জন্য প্রায় তিন ডজন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই সমীক্ষায় ফোন, ইন্টারনেট, সাইকেল, স্কুটার, মোটরসাইকেল, গাড়ি, ভ্যান, রেডিও, টিভি-র মতো জিনিসপত্র আছে কিনা সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। এছাড়াও, পরিবারে পানীয় জলের উৎস, আলোর উৎস, শৌচাগারের ধরন, বর্জ্য জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, স্নান ও রান্নাঘরের সুবিধা, রান্নার জন্য ব্যবহৃত জ্বালানি এবং এলপিজি/পিএনজি সংযোগের মতো বিষয়গুলি সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হবে।

বাড়ির মেঝে, দেওয়াল ও ছাদ কী দিয়ে তৈরি, সেটির অবস্থা, কতজন সদস্য সেখানে থাকেন, ঘরের সংখ্যা, বিবাহিত দম্পতি কতজন, পরিবারের প্রধান মহিলা নাকি তিনি তপশিলি জাতি বা উপজাতির অন্তর্ভুক্ত, এই ধরনের নানান প্রশ্নও করা হবে।

কেন্দ্র সরকার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রশাসনিক ইউনিটগুলির সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাবিত কাজ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে বলেছে। জনগণনার কাজের জন্য এই সীমানা চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রশাসনিক ইউনিট যেমন জেলা, মহকুমা, তহসিল, তালুক এবং থানাগুলির সীমানা চূড়ান্ত করার তিন মাস পর জনগণনা শুরু করা যেতে পারে। মুখ্যসচিবদের কাছে লেখা চিঠিতে পৌর কর্পোরেশন, রাজস্ব গ্রাম, তহসিল, মহকুমা বা জেলার সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাবিত কাজ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গণনাকারীদের কাজের চাপ কমানোর জন্য প্রতিটি প্রশাসনিক অঞ্চলকে কতগুলি অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে 'ব্লক' বলা হয়। জনগণনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা মানচিত্রে একটি ব্লককে একটি গ্রাম বা শহরের মধ্যে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শেষবার দেশে জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। পনেরো বছর পরে ফের দেশে জনগণনা হতে চলেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+