নিরাপত্তা ছাড়া দুই-পা-ও চলতে পারেন না! মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ প্রশান্ত কিশোরের
কখনও তিনি জাতীয় রাজনীতি নিয়ে বলছেন। বলছেন বিজেপি সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও একা ৩৭০ আসন পাবে না। আবার এনডিএ-র চারশো আসনের ডাকও সফল হবে না। আবার তিনি বলছেন, বাংলায় বিজেপি তৃণমূলের থেকে ভাল ফল করবে। তিনি যেমন রাহুল গান্ধীকে
আক্রমণ করছেন, আক্রমণ করছেন নীতীশ কুমারকেও।
নিজের দল জন সুরাজ বিহার ও ঝাড়খণ্ডে রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রতীক চিহ্ন আপেল। আপাতত তিনি বিহারে জন সুরাজ যাত্রাতেই ব্যস্ত। তবে তারই মধ্যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে কড়া আক্রমণ করলেন নীতীশ কুমার।

সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে
তিনি বলেছেন, আজ এমন পরিস্থিতি যে সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও তাঁর শাসনের বিরুদ্ধে খারাপ শব্দ প্রয়োগ করছেন। গরিব মানুষের মধ্যে নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রশান্ত কিশোরের
দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বিহারের কোনও গ্রামে নিরাপত্তা ও সরকারি কর্মী ছাড়া হাঁটতে পারেন না। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিহারে আমলাতন্ত্র ও দুর্নীতি চরমে। টাকা ছাড়া সেখানে একটাও কাজ হয় না।
চলছে অফিসার রাজ
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, লালু যাদবের রাজস্ত যদি অপরাধীদের জঙ্গলরাজ হয়, তাহলে নীতীশ কুমারের রাজত্বে অফিসারদের জঙ্গলরাজ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও বলছেন, নীতীস সরকারের শাসনে সরকারি আধিকারিকদের স্বর্ণযুগ। বিহারের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, যেসব গ্রাম ও পঞ্চায়েতে তিনি গিয়েছেন, সেখানে কাজের সমস্যা রয়েছে। গ্রামের ৬০ শতাংশ যুবক বাড়িতে থাকেন না।
ব্যর্থতা শিক্ষায়
ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর শিক্ষা ইস্যুতে নীতীশ কুমারকে আক্রমণ করে বলেছেন, এই সরকারের সব থেকে বড় ব্যর্থতা হল বিহারের শিক্ষা ব্যবস্থা। ভূমিহীনদের সমস্যার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, দারিদ্র ও বেকারত্বের সব থেকে বড় কারণ হল বিপুল সংখ্যক ভূমিহীন। পরিসংখ্যান অনুসারে বিহারের ৫৮ শতাংস মানুষ ভূমিহীন, যেখানে সারা দেশে ভূমিহীনের সংখ্যা ৩৮ শতাংশ।












Click it and Unblock the Notifications