Budget 2025: প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে উত্তেজনা জারি, প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করবে মোদী সরকার?
অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার। তারপরই কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বাজেটে কর ছাড় , শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির মতো বিষয় গুলিতে নজর থাকে সাধারণ মানুষের। তবে সরকারের মোদী অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার উপরে থাকে প্রতিরক্ষা।
মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য বা কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কমলেও নির্মলা সীতারমন বিগত কয়েয়কটি বাজেটে নিয়ম করে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছন। এবার কী করবে মোদী সরকার, তা নিয়ে চলছে প্রবল বিশ্লেষণ।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ ছিল সমরাস্ত্রে আরও বেশি সুসজ্জিত করা। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে বরাবরই ভারতের উত্তেজনা আছে। কোভিড পরবর্তী অধ্যায়ে চিনের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এরইসঙ্গে এবার বাংলাদেশের সঙ্গেও সম্পর্কও তলানিতে। ফলে প্রতিবেশীদের নিয়ে খুব একটা স্বস্তিতে নেই ভারত।
২০২২ সালে ভারত জিডিপির মোচ ২.৪ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করেছিল। কিন্ত তা চিনের থেকে ছিল অনেক কম। এর ফলে প্রতিপক্ষা খাতে চিনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আছে ভারত। প্রতিবেশী দেশের থেকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিরাট পিছিয়ে থাকা যে একেবারেই কাম্য নয় তা ভালোই জানেন কেন্দ্র। ফলে শেষ দুই বাজেটে এই খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করে কেন্দ্র।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ পরিস্থিত ভারতের উদ্বেগ বৃদ্ধি করেছে। বিশেষজ্ঞরা এই প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন। বাজেট বৃদ্ধি পেলে সেনা বাহিনীতে আরও উন্নত মানের অস্ত্র এবং সমর সরঞ্জাম আমদানি করতে পারবে ভারত।
ভারত তার উত্তর ও পশ্চিম সীমান্ত বরাবর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। চিন ও পাকিস্তান সহ প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও উত্তেজনার কারণে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির দাবি উঠেছে। সম্প্রতি এলওসিতে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা রুখতে, সীমান্ত পরিকাঠামো এবং উন্নত নজরদারি ব্যবস্থায় শক্তিশালী বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা আছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications