শূন্যপদে নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরেই সচিবকে পরামর্শ নিতে নির্দেশ! মুখ খুললেন ব্রাত্য
অতিরিক্ত শূন্যপদে অযোগ্যদের নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন নাকি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু! হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব মণীষ জৈন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, গোটা মন্ত্রিসভাকে আদালত
অতিরিক্ত শূন্যপদে অযোগ্যদের নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন নাকি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু! হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব মণীষ জৈন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, গোটা মন্ত্রিসভাকে আদালতে ডেকে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দেন বিচারপতি। এমনকি মামলাতে গোটা মন্ত্রিসভাকেই পার্টি করার কথাও বলেন তিনি।

তবে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম সামনে আসার পর থেকে বিতর্ক আরও বেড়েছে। এমনকি কীভাবে শিক্ষামন্ত্রী এমন নির্দেশ দিতে পারে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। যদিও এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
সর্বভারতীয় বাংলা এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাজ্য মন্ত্রিসভাই শূন্যপদে নিয়োগ নিয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয়। আর এহেন সিদ্ধান্তের পরেই আইনি পরামর্শ নেওয়ার জন্যে স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দেন বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ব্রাত্য বসু। তবে আইনি বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না বলেই জানিয়েছেন। এই বিষয়ে কিছু জানানোর মতো হলে তা উপযুক্ত স্তর থেকে বলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তবে বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি কার্যত থেকেই গেল বলে মনে করছে আইনজীবীমহল। উল্লেখ্য, অযোগ্যদের নিয়োগের জন্য অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি নিয়ে যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। কীভাবে এমন শূন্যপদ তৈরি করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি এর মাথাকে তা জানতে শিক্ষা সচিবকে আদালতে তলব করে হাইকোর্ট। এমনকি এই বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্যে সিবিআইকেও তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
সেই মতো আজ আদালতে হাজিরা দেন শিক্ষাসচিব। আর মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষা সচিবকে জিজ্ঞাসা করেন, কার নির্দেশে তিনি এই নিয়োগ করিয়েছেন। তার জবাবে শিক্ষা সচিব ব্রাত্য বসুর নাম নেন। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটা একটা সিদ্ধান্ত।
শিক্ষা সচিবের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণে বলেন, 'শুধু বেআইনি নিয়োগ বাঁচাতে এটা কি ঠিক করা হয়েছে বলে আপনি মনে করেন? আপনার কি মনে হয় না, ক্যাবিনেট তার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংবিধান বিরোধী কাজ করেছে? ক্যাবিনেট সদস্যরা সই করলেন, কেউ সতর্ক করলেন না? মন্ত্রিসভা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার নোট দেখান। অবৈধের চাকরি বাঁচানোর জন্য মন্ত্রিসভা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা দেখান।' তার প্রেক্ষিতে শিক্ষা সচিব বলেন তিনি সেখানে ছিলেন না।












Click it and Unblock the Notifications