ডেরায় হাড়গোড়ের কথা স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ, কোথা থেকে এল এই হাড়গোড়

  • Posted By: Soumik
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    সিরসায় ডেরা হেডকোয়ার্টারে হাড়গোড় থাকার কথা স্বীকার করে নিল ডেরা কর্তৃপক্ষ। এসআইটি-কে জেরায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ডেরায় অনেক ভক্তই তাঁদের আত্মীয়দের মৃত্যুর পর অস্থিভস্ম ছড়িয়ে দিয়ে যায়। সেখান থেকেই এই হাড়-গোড় এসেছে বলে জানিয়েছেন ডেরা সাচা সওদার ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য পি আর নৈন।

    [আরও পড়ুন:ডেরার সিরসা আশ্রমে পোঁতা রয়েছে ৬০০ টি কঙ্কাল, উঠে এলো আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য]

    ডেরায় হাড়গোড়ের কথা স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ, কোথা থেকে এল এই হাড়গোড়

    এসআইটি সূত্রের খবর, একইপ্রশ্ন ডেরা চেয়ারপার্সন বিপাসনাকে করা হয়েছিল। তাঁর কাছ থেকেও একই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পিআর নৈন জানিয়েছেন, ডেরা ভক্তদের বিশ্বাস, মৃত্যুর পর তাঁদের অস্থি জেরার মাটিতে সমাধিস্থ করা হলে তাঁরা মোক্ষলাভ করবেন। এমনকি অস্থিভস্ম ভাসিয়ে নদীর জলকে প্রদূষিত করার বদলে যাতে ডেরার মাটিতে সেই অস্থি সমাধিস্থ করা হয়, তা নিয়ে ডেরার পক্ষ থেকে একটি সচেতনতা অভিযানও চালানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    মোট ৩৫০জনের অস্থি ডেরার মাটিতে সমাধিস্থ করার তথ্য দিয়েছেন পিআর নৈন। সেই তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে মৃত ব্যক্তিদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। জেরায় হানিপ্রীত সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হয় তাঁর কাছে। পিআর নৈন জানিয়েছেন, হানিপ্রীত ডেরা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই তিনি জানতে পেরেছিলেন যে হানিপ্রীত রোহতক থেকে সিরসায় ফিরেছিলেন। হানিপ্রীত বা আদিত্য ইনসানের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই বলেও দাবি করেছেন ডেরা সাচা সওদার ম্যানেজমেন্ট কমিটির এই শীর্ষ কর্তা।

    পাঁচকুলায় হিংসার ঘটনাতেও তাঁর কোনও ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন পি আর নৈন। তিনি জানিয়েছেন, ২৫শে অগাস্ট সমাজবিরোধীরাই রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়িয়েছে।

    English summary
    Dera management committee admits that the bones found are part of mortal ashes of follower's kin

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more