Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মাওবাদী যোগের অভিযোগ, বোম্বে হাইকোর্টে বেকসুর খালাস দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক

মাওবাদী যোগের অভিযোগ, বোম্বে হাইকোর্টে বেকসুর খালাস দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক

শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জিএন সাইবাবা এবং অন্য পাঁচজনকে বেকসুর খালাস করেছে। মহারাষ্ট্রের গদচিরোলির একটি দায়রা আদালত মাওবাদী যুক্ত সন্দেহে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়। বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে তাঁদের বেকসুর খালাস করা হয়েছে।

মাওবাদী যোগের অভিযোগ, বোম্বে হাইকোর্টে বেকসুর খালাস দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক


বিচারপতি রোহিত দেও এবং অনিল পানসারের নাগপুর হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন ইউএপিএ অধীনে উপযুক্ত প্রমাণ নেই। ২০১৭ সালের ৭ মার্চ সাইবাবা, মহেশ তিরকি, পান্ডু নরোটে, হেম মিশ্র, প্রশান্ত রাহি এবং বিজয় তিরকির সাথে গাদচিরোলির একটি দায়রা আদালত ইউএপিএ ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছিল।

বিজয়কে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অন্যদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিজয় বর্তমানে জামিনে মুক্ত। নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় চলতি বছরে অগাস্ট মাসে ৩৩ বছরের নারোটের মৃত্যু হয়। ২০১৩ সালে তাঁদের মহারাষ্ট্রের গাদচেরেলি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বোম্বে হাইকোর্টের রায়ের পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জিএন সাইবাবার স্ত্রী বলেন, তাঁর স্বামী একজন বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এই মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। সাত বছর জেলে থাকার কারণে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে এবং তাঁর শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তাঁর ভাই আইনি কাজের জন্য নাগপুরে রয়েছেন।

এর আগেই সাইবাবা কারাগারের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর প্রতিবাদে আমরণ অনশনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সেই সময় নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের শৌচালায় ও স্নানগরের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। শনিবার তাঁর স্ত্রী ও ভাই মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে নাগপুরের কেন্দ্রীয় কারাগারের স্নানঘর ও শৌচালয় থেকে সিসিটিভি সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নাগপুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৩ বছরের পান্ডু নারোটের মৃত্যু হয়। ২০ অগাস্ট তাঁর প্রচণ্ড জ্বর হয়। পরে সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নাগপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। নারোটের আইনজীবী কারাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ নিয়ে এসেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার পরেও কেন কারাগারেই চিকিৎসা চলছিল। প্রথম থেকে হাসপাতালের অধীনে থাকলে নারোটকে বাঁচানো সম্ভব হতো।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+