দিলীপ-কৈলাশদের এনআরসি-তত্ত্ব খারিজ অমিতের, বাংলায় এখনই নাগরিকত্ব যাচাই নয়
বাংলাতেও এনআরসি করা হবে বলে দিলীপ ঘোষ-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা যে আওয়াজ তুলেছিলেন, তা সমূলে উৎখাত করলেন অমিত শাহ। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিল্লির অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই আশঙ্কা করেছিলেন।
বাংলা এনআরসি অর্থাৎ জাতীয় নাগরিক পঞ্জির সম্ভাবনা খারিজ করে দিলেন অমিত শাহ। অসমের নাগরিক পঞ্জিতে ৪০ লক্ষ নাম বাদ পড়ার পর বাংলাতেও এনআরসি করা হবে বলে দিলীপ ঘোষ-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা যে আওয়াজ তুলেছিলেন, তা সমূলে উৎখাত করলেন অমিত শাহ। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিল্লির অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই আশঙ্কা করেছিলেন।

এদিন অমিত শাহ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন। রাহুল গান্ধীকেও বেঁধেন বাক্যবাণে। আর অনুপ্রবেশ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন বাংলায় এখনই আনআরসি নয়। অর্থাৎ বাংলার বুকে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি করে অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ণের কোনও পরিকল্পনা নেই বিজেপির।
সোমবারই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুঙ্কার ছেড়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশিদের গলাধাক্কা দিয়ে তাড়াবেন। আর সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, যাঁরা সমর্থন করবে অনুপ্রবেশকারীদের, তাঁদেরও গলাধাক্কা দিয়ে তাড়াবেন বাংলা থেকে। এরপর একই সুরে বাংলায় এনআরসি হবে বলে জানান কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ অবশ্য সেই সম্ভাবনা একেবারেই খারিজ করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেও এখনই য়ে বাংলায় এনআরসি হবে না স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য বাংলার বিজেপির কাছেও একটা বার্তা, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়দের।
উল্লেখ্য, সোমবার অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে ৪০ লক্ষ নাম বাদ পড়ার পরই জাতীয় রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজ্য-রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়ে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দিল্লির এক অনুষ্ঠানেও বিজেপি সরকারকে একহাত নেন এনআরসি প্রসঙ্গে। একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে জানিয়ে দেন, কখনই বাংলায় এনআরসি নয়।












Click it and Unblock the Notifications