• search

বিহার: বোর্ডের পরীক্ষায় ছাত্রদের টোকাটুকিতে মদত পরিবারের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পাটনা, ১৯ মার্চ : পরীক্ষায় টোকাটুকি নয়া বিষয় নয়। তবে বিহারে বোর্ডের পরীক্ষার যে চিত্র ধরা পড়ল তাতে এ প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক যে এটা পরীক্ষা না প্রহসন।

    বিহারে দশম শ্রেণীর বোর্ডের পরীক্ষায় শিক্ষার যে বেহাল দশার চিত্র উঠে এল তা উদ্বেদের বলেই মনে করছেন বিশেজ্ঞ শিক্ষাবিদরা। হাজিপুর জেলার একটি স্কুল বাড়ির দেওয়াল চড়ে টুকলি করার সামগ্রী ছাত্রদের হাতে তুলে দিচ্ছেন খোদ পরিবারের সদস্যরাই, এমন ছবিই উঠে এল।

    বিহার: বোর্ডের পরীক্ষায় ছাত্রদের টোকাটুকিতে মদত পরিবারের

    এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও বৃহস্পতিবার সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গোটা প্রশ্নপত্রের জবাব লিখে ছাত্রদের হাতে তা জানলার বাইরে থেকে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। শুধু যে এঘটনা একতলাতেই হচ্ছে তা নয়, দোতলা-তিলতলার ঘরের দেওয়ালে চড়েও এই একই ভাবে টোকাটুকির সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ছাত্রদের হাতে।

    এই ঘটনায় কয়েকজনে দোতলা-তিন তলার দেওয়াল থেকে পড়ে আহতও হয়েছেন। বিশাল পরিমানে পুলিশ, এবং পরিক্ষক থাকা সত্ত্বেও বহুল টোকাটুকির ঘটনা আটকানো যায়নি।

    স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা জানিয়েছেন, শুধু এবছরই নয়, এর আগের বছরও এমন ঘটনা বহু ঘটেছে। একইধরণের ঘটনা বৈশালী জেলার বিদ্যা নিকেতন স্কুলেও হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

    এই ঘটনা নিয়ে বিহারের শিক্ষামন্ত্রীর কী প্রতিক্রিয়া?

    বিহারের শিক্ষামন্ত্রী পি কে শাহী জানিয়েছেন, "যথাযথ ব্যবস্থা করা সত্ত্বেও বোর্ডের পরীক্ষায় বিভিন্ন জায়গা থেকে টোকাটুকির খবর এসেছে।"

    "আমি প্রশ্ন তুলতে চাই, সমাজ, পরিবার, ছাত্রদের সাহায্য ছাড়া কী একা সরকার স্বচ্ছ পরীক্ষার আয়োজন করতে পারে? আমার মনে হয় না এটা সরকারের ব্যর্থতা। কিন্তু এটা সত্যি এক্ষেত্রে আমাদের সমাজের সহযোগিতা চাই।" এই বলেই সরকারের দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

    English summary
    Bihar: Family members help students in cheating during Board exams

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more