পুজোর ক'টা দিন দিল্লিওয়ালার ঘেরাটোপ ছেড়ে বেরনো, আর প্যান্ডেল হপিং, বাঙালির পুজো তো এমনই

দিল্লিতে বর্তমানে এত বাঙালি থাকেন যে এখন আর একটা-দুটো পুজো হয়না , তাই দিল্লির বাঙালিরাও কলকাতার ধারা মেনে এখন প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখে বেড়ান।

যেখানেই দুটো বাঙালি পরিবার হয়, সেখানেই একটা দুর্গাপুজো হয়, এমনটাই প্রচলিত কথা। আর নয়াদিল্লি তো কার্যত এখন বাঙালিদের সেকেন্ড হোম।

তাই দুর্গা পুজোর পাঁচদিন, কল্লোলিনী কলকাতার ছোট বোনের চেহারা নেয় নয়া দিল্লি।

বাগবাজার থেকে নয়াদিল্লি

বাগবাজার থেকে নয়াদিল্লি

বিবাহ সূত্রে প্রায় বছর দশেক হয়ে গেল কলকাতা-র বাইরে প্রণীতা বোস। তাঁর মতে দিল্লিতে যদি চিত্তরঞ্জন পার্কের পুজোয় যাওয়া হয় তাহলে মনেই হবে না যে কলকাতার বাইরে আছি। চারপাশে বাঙালি ভিড়, থিম মন্ডপ থেকে শুরু করে মন্ডপের বাইরে মেলা। সেখানে পসরা সাজিয়ে বসে আছেন দোকানীরা। এক কথায় ছোট্ট একটা কলকাতা।

ঘড়ির বাইরের নতুন রুটিন

ঘড়ির বাইরের নতুন রুটিন

এখনকার কর্মব্যস্ত জীবনে ঘড়ি ধরে ছুটে চলা। কখনও সংসার আবার কখনও পেশার তাগিদ জীবেনর ৩৬০ দিন একই নিয়মে চলে। কিন্তু ক্যালেন্ডারে ষষ্ঠী এসে যাওয়া মানেই সেই রুটিনে পরিবর্তন।ষষ্ঠীর দিন যেহেতু অফিস থাকে তাই ফিরে এসে একদম জমিয়ে ঠাকুর দেখা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিআর পার্কের ঠাকুর দেখতে যাওয়া হয়।

বাজল পুজোর ঘন্টা

বাজল পুজোর ঘন্টা

তবে দিল্লিতে তো আর পশ্চিমবঙ্গের মত টানা ছুটি থাকে না, ছুটি বরাদ্দ থাকে শুধুমাত্র দশমী বা দশেরায়, তবে প্রণীতার মতে এই সময় ঠিক বাঙালিরা নিজেদের ছুটি ম্যানেজ করে নেন। মহালয়ায় সিডি বা ইউটিউবের দৌলতে শোনা হয়ে যায় মহিষাসুরমর্দিনী, আর তারপর থেকেই যেন মনে পুজোর ঘন্টা বেজে যায়।

জোরদার প্যান্ডেল হপিং

জোরদার প্যান্ডেল হপিং

পুজোর কটা দিন খাওয়া-দাওয়া,প্যান্ডেলে-প্যান্ডেল ঘোরা সবই চলতে থাকে। কলকাতা থেকে দূরে হলেও ছবি দেখে কিন্তু বোঝা সম্ভব নয়, সেটা দিল্লির না কলকাতার।

খাওয়াদাওয়া নিয়ে বিন্দাস

খাওয়াদাওয়া নিয়ে বিন্দাস

সকলেই সপরিবার আনন্দের জোয়ারে ভাসেন এই কটা দিন। ভিড়ে ঠাকুর দেখার আনন্দও যে একদম আলাদা। তার সঙ্গে মেলাগুলো বাড়তি পাওনা। ছোটেদের মনপসন্দ জিনিস যেমন পাওয়া যায়, ঠিক তেমনিই বাঙালি রসনা তৃপ্তি দেওয়া খাবারদাবারও পাওয়া যায়।

পুজোর সংখ্যাও অনেক

পুজোর সংখ্যাও অনেক

পরিবারের খুদে সদস্য যেমন আনন্দে মাতেন তেমনিই বড়রাও দারুণ খুশিতে মাতেন। লোধি রোড, মিন্টো রোড , গোল মার্কেট , ময়ূর বিহার বাদ যায় না কোনও পুজোই।

চারদিনের শেষে আবার পথ চাওয়া

চারদিনের শেষে আবার পথ চাওয়া

এর সঙ্গে বাড়তি সংযোজন পুজো প্রাঙ্গণেই আয়োজন হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রণীতা বোসের মতে এ যেন বাংলার বাইরে অন্য এক বাংলার খোঁজ। তবে পুজোর চারটে দিন যেন বড় তাড়াতাড়ি কেটে যায়। এসে যায় মন খারাপ করা বিজয়া দশমী। আরও সব বাঙালির মতই প্রণীতা- আর্যমান- সঞ্জয়ের পথ চেয়ে থাকা শুরু।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+