রাজস্থানে বাড়ি ফিরল দক্ষিণ এশিয়ার সবথেকে ছোট শিশু
ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর রাজস্থানে বাড়ি ফিরল ৪০০ গ্রামের কন্যা শিশু। এখন তার ওজন ২.৪ কেজি। হাসপাতালের দাবি, বেঁচে ফেরা ছোট্ট শিশুটি শুধু ভারতেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় সব থেকে ছোট।
ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর রাজস্থানে বাড়ি ফিরল ৪০০ গ্রামের কন্যা শিশু। এখন তার ওজন ২.৪ কেজি। হাসপাতালের দাবি, বেঁচে ফেরা ছোট্ট শিশুটি শুধু ভারতেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় সব থেকে ছোট।

২০১৭-র ১৫ জুন সীতার জন্ম হয়েছিল শ্রমিক পরিবারে । সেই সময় সীতার ওজন ছিল ৪০০ গ্রাম। মাপে ছিল ৮.৬ ইঞ্চি। সীতার পায়ের আকার ছিল বড় মানুষের হাতের নখের থেকে সামান্য বড়। জন্মানোর পরে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল সীতার। সেই সময় থেকে যুদ্ধ শুরু শ্রমিক দম্পতির। একইসঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেন চিকিৎসকরাও। সীতার ভবিষ্যত নিয়েও তখন সবাই অনিশ্চিত ছিলেন। কৃত্তিম শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থা মাধ্যমে শিশুকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় নিওন্যাটাল আইসিইউ-তে। জয়পুরের জীবন্ত হাসপাতালের প্রধান নিওন্যাটোলজিস্ট সুনীল জাঙ্গেদ এমনটাই জানিয়েছেন।
প্রায় ২১০ দিন আইসিইউ-তে থাকার পর সীতাকে শুক্রবার হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই মুহূর্তে সীতার ওজন ২.৪ গ্রাম। চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে সীতার মাথার গঠন স্বাভাবিক এবং চোখও স্বাভাবিক। অসাধ্যসাধনের পর চিকিৎসকরা শিশুটির নাম দিয়েছেন মানুষী।
জয়পুরে মহিলা চিকিৎসালয়ের প্রাক্তন সুপার, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বিমলা জৈন শিশুর বেঁচে যাওয়াকে বিরল ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ৫০০ গ্রাম কিংবা তার থেকে কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুর বাঁচার আশা প্রায় থাকে না। তাই এই শিশুর বেঁচে যাওয়া বিরল ঘটনা। সাধারণত, এই ধরনের শিশুদের ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, মাথা, কিডনি, ক্ষুদ্রান্ত এবং চামরার গঠন সঠিক হয় না। অঙ্গগুলি সটিকভাবে কাজও করে না। প্রয়োজন হয় কৃত্রিম ব্যবস্থার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ২০১২ সালে ৪৫০ গ্রামের এক শিশুর জন্ম হয়েছিল। তার নাম ছিল রজনী।
দম্পতির বয়স ৫০-এর আশপাশে। ৩৫ বছরের বিবাহিত জীবন তাদের। মহিলার রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায়, অস্ত্রোপচার করে শিশুটির জন্ম দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications