অমিত শাহ-ওম মাথুর-জেপি নাড্ডা, বিজেপির সভাপতি পদের জন্য ঘুরপাক খাচ্ছে ৩টি নাম

সূত্রের খবর অনুযায়ী, জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহের মধ্যেই চলছিল বিজেপির সভাপতি হওয়ায় লড়াইটা। কিন্তু যদিও অপেক্ষাকৃত দেরি করে এই লড়াইয়ে সামিল হন ওম প্রকাশ মাথুর, কিন্তু দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন মাথুর। সূত্রের খবর অনুযায়ী, অমিত শাহের পাশাপাশি ওম প্রকাশ মাথুরও মোদীর অত্যন্ত ঘণিষ্ঠ এবং বিজেপির সভাপতি হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। লোকসভা নির্বাচনে গুজরাতের দায়িত্বে ছিলেন এই মাথুরই।
ওম মাথুর আর অমিত শাহ বিরোধিতায় বেরিয়ে যেতে পারেন বিতর্কহীন পছন্দ নাড্ডা: সূত্র
মোদী ঘণিষ্ঠ অমিত শাহ যে একেবারে পিছিয়ে পড়েছেন তা নয়। লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির অসামান্য ফলের পিছনে মোদীর পাশাপাশি যে অমিত শাহের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা অস্বীকার করবে কট্টর মোদী বিরোধীরাও। আর সেই কারণেই বারবার অমিত শাহের নাম উঠে আসছে বিজেপির সভাপতি হিসাবে। বিজেপির তৃণমূল স্তরের একাংশ মনে করছে উত্তরপ্রদেশে ভাল ফল করার জন্য পুরস্কারস্বরূপ দলের সভাপতি পদ দেওয়া হতে পারে মোদী ঘণিষ্ঠ অমিত শাহকে।
এদিকে দলের অন্দরেই অনেকে মনে করছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি একই রাজ্য অর্থাৎ গুজরাত থেকে হলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। মানুষের মনে এই ধারণা জাগতেই পারে যে এক্ষেত্রে বাকিদের তুলনায় লাভবান হচ্ছে গুজরাত। এবং দলে তাঁর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। সে দিক থেকে দেখতে গেলে তাঁরা চাইছেন অমিত শাহকেই বিজেপির সভাপতি পদে আনা হোক। এর মাঝে বেশ সেফ খেলছেন নাড্ডা সমর্থকরা। অনেকে মনে করছেন, ওম মাথুর আর অমিত শাহ বিরোধিতায় বেরিয়ে যেতে পারেন বিতর্কহীন পছন্দ নাড্ডা।
ওম মাথুর আসলে রাজস্থানের বাসিন্দা। রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার সঙ্গে অবশ্য খুব একটা বনিবনা নেই মাথুরের। আজই অমিত শাহ এবং মাথুর উভয়েই সংঘ পরিবারের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। রাজনাথ সিংকেও সংঘ পরিবারই সভাপতি পদের জন্য বেছেছিল। এবারেও সেই একই ঐতিহ্য বজায় থাকবে বলে বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications