Artificial Intelligence: দেশে বড় সুযোগ! ২০২৬ সালের মধ্যে ভারতে কোটি কোটি চাকরি, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বর্তমানে একটি রূপান্তরমূলক পর্যায়ে রয়েছে। যেখানে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ( Artificial Intelligence) অগ্রগতির উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করেছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar)।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডেটা প্রোটেকশন বিল অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে কারণ এটি ডেটা সুরক্ষা সম্পর্কিত উদ্বেগগুলি দূর করবে। এআই ( Artificial Intelligence) প্রযুক্তিতে চাকরি যাওয়ার ভয় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কোনও কিছু নতুন থাকা অবস্থায় এরকম ভয় থাকে কিংবা প্রশ্ন ওঠে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে এআই চাকরিতে কোনও প্রভাব ফেলবে।

রাজীব চন্দ্রশেখর বলেছেন, এআই ( Artificial Intelligence) কাজ করতে পারে কিন্তু মানুষকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না। AI-এ চাকরি যাওয়ার ভয় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এটি এমন একটি পরিস্থিতিতে ঘটতে পারে, যখন তা মানুষের আচরণ অনুকরণ করতে পারবে এবং যুক্তি দিতে সক্ষম হবে। এআইয়ের ওপরে ভিত্তি করে ২০২৬ সাল নাগাদ দেশে কয়েক কোটি চাকরির সুযোগ তৈরি হবে বলেও দাবি তাঁরা।
এআই ( Artificial Intelligence) -এর অপব্যবহার নিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ইন্টারনেট আসার সময়েও একটা বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, এটি ব্যবহারকারীর ভাল করার পাশাপাশি ক্ষতি করতে পারে। অন্যদিকে এই মুহূর্তে এআই-এর একদিকে যেমন রয়েছে দক্ষতা, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং শেখার মডেল, ঠিক তেমনই অন্যদিকে রয়েছে ব্যবহারিক ক্ষতি এবং অপব্যবহার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, ভারত কখনই বলবে না উদ্ভাবন হওয়া উচিত নয়। ভারত সরকারের মত হল, উদ্ভাবন যাই হোক না কেন, ভারতের নাগরিক নিরাপত্তা এবং আস্থা নিয়ে অবিশ্বাস তৈরি করবে না। ভারত সরকার এআই ( Artificial Intelligence) নিয়ন্ত্রণ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গত নয় বছরে দেশে ডিজিটাল অর্থনীতির বহুলাংশে বৃদ্ধির প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তিনি মন্ত্রী হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে যুক্তরাজ্যে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ত্রিশটি স্টার্টআপের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুপ্রেরণা নিয়ে প্রশংসা করেছিলেন।

বিদেশে গিয়ে রাহুল গান্ধীর ভারতের বিচার ব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রকে নিশানা করা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar) বলেন, এখানে রাহুল গান্ধীকেই বলতে হবে তিনি কেন রেগে যান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, অনেক কিছু শিখেছেন, তাঁর থেকে। মানুষের কথা শোনা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা, এরকম অনেক কিছু। তাঁর শোনার ক্ষমতা আশ্চর্যজনক, বলেন মন্ত্রী।
একজন টেকনোক্যাট থেকে রাজনীতিবিদ এবং মন্ত্রী হওয়া প্রসঙ্গে রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar) বলেছেন তিনি সিলিকন ভ্যালিতে ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ২০০৬-এ তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। গত ১৭ বছরে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। আর তিনি যা করেছেন, তাা দেশবাসী বিচার করবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
-
মধ্যপ্রাচ্যে সঙ্কট! অবশেষে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প -
SIR: রাতে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কীভাবে দেখতে পাবেন অনলাইনে? -
ইরান-আমেরিকা সংঘাতে নতুন মোড়! যুদ্ধ কী থামার পথে? 'বড় উপহার' নিয়ে নতুন দাবি ট্রাম্পের, জল্পনা তুঙ্গে -
মর্মান্তিক! দিনেদুপুরে রক্তাক্ত কাণ্ড, গড়িয়ার পার্লারের ভিতরে প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুন করে আত্মঘাতী যুবক -
সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বড় পালাবদল! এই দিন থেকে বাড়বে ঝড়বৃষ্টি, চড়বে পারদও -
৯ মাস সিলিন্ডারে রিফিল করাননি? বন্ধ হতে পারে আপনার গ্যাস সংযোগ! কড়া পদক্ষেপ সংস্থার, কী করবেন? জেনে নিন -
কলম্বিয়া বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার ৭৭, এখনও নিখোঁজ বহু, হত আপাতত ১ -
সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়! ধর্ম বদলালে মিলবে না SC/ST সুবিধা, স্পষ্ট বার্তা শীর্ষ আদালতের -
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নতুন সমীকরণ, ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরান বৈঠক ঘিরে জল্পনা -
ফের কালবৈশাখীর ছোঁয়া! ঝড় বৃষ্টিতে ভিজবে কলকাতা সহ গোটা বাংলা -
ভোটের আগে বড়সড় রদবদল! একসঙ্গে ৭৩ রিটার্নিং অফিসার বদলি, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের -
রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাইকোর্টের সবুজ সংকেত, তবে মানতে হবে কড়া শর্ত












Click it and Unblock the Notifications