CAA-র প্রতিবাদে উত্তাল ভারত, পর্যটনে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা
দেশ জুড়ে চলছে সিএএ-র প্রতিবাদে আন্দোলন। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন।
দেশ জুড়ে চলছে সিএএ-র প্রতিবাদে আন্দোলন। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন। এদিকে প্রায় গোটা দেশেই পড়ে গিয়েছে বড়দিনের ছুটি। শুরু হয়ে গিয়েছে পর্যটনের মরশুম। কিন্তু হিংসাত্মক আন্দোলনের পর্যটন শিল্প বড় ধাক্কা খেতে চলেছে। কারণ এই শীতকালেই সাধারণ বিদেশি পর্যটকরা ভারতে আসেন। কিন্তু ভারতের এই পরিস্থিতি দেখার পরেই আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা তাঁদের দেশের পর্যটকদের ভারতে ভ্রমণ নিয়ে সতর্ক করেছে।

বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা কমছে
গোটা দেশে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাই আগে থেকেই ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আরব আমিরশাহীর পক্ষ থেকেও কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেদেশের পর্যটকদের ভারতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ভারতে এই মুহূর্তে ভ্রমণে যাওয়া নিরাপদ নয় বলে নির্দেশিকা জারি করেছে সেদেশের সরকার। যার কারণে শীতকালে যেখানে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা বেশি হয় সেটা এবার অনেকটাই কম। ২০১৮ সালের থেকে এবছর মাত্র ২.২ শতাংশ বেশি বিদেশি পর্যটক ভারত সফরে এসে। যার েজরে এবার বিদেশি পর্যটন থেকে আয়ও অনেকটাই কম হয়েছে।

দেশিয় পর্যটকের সংখ্যাও কমছে
বড়দিনের ছুটি পড়ে গিয়েছে অধিকাংশ স্কুল কলেজেই। শীতের ছুটিতে এবার বেরিয়ে পড়ার প্রবণতা দেশিয় পর্যটকদের মধ্যেও অনেকটাই কম। তার অন্যতম কারণ এই হিংসাত্মক আন্দোলন। গোটা উত্তর পূর্বের রাজ্য থেকে দক্ষিণ ভারত সর্বত্রই পর্যটকের ঢল নামে এই সময়। কিন্তু ট্রাভেল এজেন্টরা জানাচ্ছেন এই আন্দোলনের কারণে অনেকেই বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন। ট্রাভেল এজেন্টরাও যেতে ভয় পাচ্ছেন। যার করণে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের পর্যটন শিল্প।

দেশের বাইরে বেড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে
যেখানে রাজস্থান, গোয়া, মেঘালয়, কেরল, কর্নাটকে পর্যটকের ভিড়ে ঠাসা থাকে এই সময়। আন্দোলনের জেরে দেশিয় পর্যটকরা এবার বিদেশে বেড়াতে যেতে চাইছেন। শ্রীলঙ্কা, দুবাই, থাইল্যান্ড মালয়েশিয়া, আবু ধাবি, ভুটান এই সব দেশে বেড়াতে যাওয়ার ভিড় বাড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications