এনসিআরবির রিপোর্ট পাওয়ার একদিন পরই বেঙ্গালুরুতে বসল প্যানিক বাটন সহ সিসি ক্যামেরা
এনসিআরবির রিপোর্ট পাওয়ার একদিন পরই বেঙ্গালুরুতে বসল প্যানিক বাটন সহ সিসি ক্যামেরা
মহিলাদের ওপর বাড়তে থাকা অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করতে উদ্যোগ নিল কর্নাটক সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ১৬০০০ সিসি ক্যামেরা বসল। সরকারের পক্ষ থেকে আপদকালীন বাটন ও সুরক্ষা আলো সহ ১৬,১২০টি সিসি ক্যামেরার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি)–এর রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে তিনটে মেট্রোপলিটন শহরের মধ্যে বেঙ্গালুরু একটি শহর, যেখানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অপরাধ হয়। এই রিপোর্ট পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে কর্নাটক সরকার।

রাজ্যের আইন–সংসদীয় মন্ত্রী জেসি মধুস্বামী সাংবাদিকদের জানান যে জিআইএস ম্যাপিংয়ের মধ্য দিয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশকে শহরের অপরাধ–প্রবণ এলাকাগুলি সনাক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রত্যেকটি ক্যামেরা শহরের ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় বসানো হয়েছে।
ক্যামেরার সঙ্গে আছে সুরক্ষা আলো ও প্যানিক বাটন। কোনও অপরাধ দেখা মাত্রই প্যানিক বাটন নিজে নিজেই প্রেস হয়ে যাবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক বার্তা চলে যাবে কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারে (সিসিসি)। সিসিসি সঙ্গে সঙ্গে এই খবর পাঠিয়ে দেবে নিকটস্থ পুলিশের কোনও পেট্রোল গাড়িতে। এই ক্যামেরাগুলিতে রয়েছে 'স্মার্ট আই’।
এই প্রযুক্তির ক্যামেরা মানুষের অস্বাভাবিক আচরণকে ধরতে সক্ষম। জানা গিয়েছে, এই ক্যামেরাগুলি শুধুমাত্র মহিলাদের ওপর হওয়া অপরাধই প্রতিরোধ করবে না, সাম্প্রদায়িক কোনও ঘটনা ঘটলে তারও সতর্কতা জানাবে। কারণ কোনও এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে মানুষের জমায়েত হলেই এই ক্যামেরার প্যানিক বাটন বেজে উঠবে এবং সতর্ক বার্তা চলে যাবে সিসিসি–এর কাছে।
কেন্দ্র ও কর্নাটক সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই সিসি ক্যামেরা বসেছে বেঙ্গালুরুতে। এই প্রকল্পটির জন্য তিন বছরের সময় সীমা দেওয়া হয়েছে। এ বছরের গোড়ার দিকে, কেন্দ্রের মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী বেঙ্গালুরুর জন্য ৬৬৭ কোটি টাকা অনুদান দেন।












Click it and Unblock the Notifications