যোগ্য সব সুবিধাভোগীই অঙ্গনওয়াড়ি প্রকল্পের আওতায়! বাধ্যতামূলক হল আধার
সব যোগ্য সুবিধাভোগীদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি (anganwadi) প্রকল্পটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তবে এর পূর্ব শর্ত হল, যাঁরা সুবিধা পেতে চান, তাঁদেরকে নিকটবর্তী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে আধারের (aadhaar) ম
সব যোগ্য সুবিধাভোগীদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি (anganwadi) প্রকল্পটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তবে এর পূর্ব শর্ত হল, যাঁরা সুবিধা পেতে চান, তাঁদেরকে নিকটবর্তী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে আধারের (aadhaar) মাধ্যমে। এব্যাপারে 'সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি এবং পোষণ ২'-এ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

লাগবে মায়ের আধার কার্ড
মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে অঙ্গনওয়াডি প্রকল্পের অধীনে সুবিধা পেতে গেলে শিশুর আধার কার্ড বাধ্যতামূলক হবে না। এক্ষেত্রে মায়ের আধার কার্ডের মাধ্যমে সুবিধা পাওয়া যাবে।

চাহিদা অনুযায়ী সবার জন্য উন্মুক্ত
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি পরিষেবা প্কল্পনিট জাতি, ধর্ম এবং আয়ের মাপকাঠিতে চাহিদা অনুযায়ী সব সুবিধাভোগীর জন্য উন্মুক্ত। তবে একমাত্র পূর্ব শর্ত হল সুবিধাভোগীকে আধারের মাধ্যমেনিকটবর্তী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে।

কিশোরীদের লাগবে আধার
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে কিশোরীদের (১৪-১৮ বছর বয়সী) জন্য প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আধারের প্রয়োজন হবে। তবে এব্যাপারে রাজ্য প্রশাসন তাদেরকে আগে চিহ্নিত করবে।
পোষণ-২-এর অধীনে কিশোরীদের প্রকল্পে সংশোধন করা হয়েছে। আগে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হত স্কুল ত্যাগী ১১-১৪ বছরের বালিকারা। এবার তা সংশোধন করে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত কিশোরীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরকার এব্যাপারে অপুষ্টি মোকাবিলায় নজর দিতে চেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এব্যাপারে আধার যুক্ত করার যুক্তিতে বলা হয়েছে, বাড়িতে রেশন কারা নিচ্ছে তা দেৎা এবং গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েরা কোনও জায়গায় স্থানান্তরিত হলে তা চিহ্নিত করতেই এই ব্যবস্থা।

আযূষও বড় ভূমিকা নেবে
আয়ুষ মন্ত্রক এব্যাপারে বড় ভূমিকা নেবে। সুবিধাভোগীদের যোগব্যায়াম অনুশীলন করতে এবং সুস্থ থাকতে উৎসাহিত করবে। আয়ুষমন্ত্রকের তরফে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। হজম ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আযুর্বেদঅনুসরণের সুপারিশ করবে। এছাড়াও ঔষধি গাছ ও চারা দিয়ে বাগান (পোষণ ভাটিকাস) তৈরিতেও সহায়তা করবে। এ পোষণ ভাটিকাস থেকে যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি পায়, তার জন্যও চেষ্টা করা হবে।
শিশুদের বৃষ্টি ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা তার জানার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিমাসে ওজন মেপে দেখা হবে। কোনও মাসে এই কাজ করা না গেলে পরের মাসে তা করতেই হবে।নির্দেশিকায় সাদা চিনি নয়, গুড় ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

শিশুদের জন্য
শিশুদের সম্পূরক পুষ্টিতে ব্যবহৃত খাদ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে খাদ্যসশ্য, ডাল বাজরা, বাদাম রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও শক্তি বাড়াতে চর্বি জাতীয় খাবার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। বলা হয়েছে বাজরা বাধ্যতামূলকভাবে সপ্তাহের অন্তত একবার দিতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications