পাসপোর্ট করে দেশছাড়া হওয়ার ছক? দিল্লি বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার নারী সন্দেহভাজনকে ঘিরে চাঞ্চল্য
দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ধরা পড়া সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন নাকি দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছিলেন এমনটাই দাবি তদন্তকারী সূত্রের। জানা গেছে, অভিযুক্ত শাহীনা সঈদ সম্প্রতি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছিলেন, এমনকি পুলিশ ভেরিফিকেশনও সম্পন্ন হয়েছিল। সেই সময় তোলা তাঁর একটি ছবিও তদন্তকারীরা প্রকাশ করেছেন।
গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে একটি i২০ গাড়ি হঠাৎই বিস্ফোরিত হলে মৃত্যু হয় অন্তত ১৩ জনের, আহত হন আরও বহু মানুষ। দেশের রাজধানীর বুকে এই সন্ত্রাসঘটিত বিস্ফোরণ নড়েচড়ে বসিয়েছে গোটা দেশকে।

শাহীনা সঈদ পেশায় একজন চিকিৎসক। তদন্তে উঠে এসেছে, ফরিদাবাদের আল ফালাহ ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত চার চিকিৎসকের একটি দল পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে সন্দেহ। এই চতুষ্টয়ের মধ্যে উমর মহম্মদ ছিলেন বিস্ফোরক বানানোর বিশেষজ্ঞ ও ঘটনাস্থলের i২০ গাড়ির চালক। বাকি তিনজন আদিল রাঠের, মুজাম্মিল শাকিল ও শাহীনা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে।
ঘটনার পর জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন অভিযুক্ত চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে।
পুলিশ সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণের আগেই এই চার চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জইশ ঘনিষ্ঠ এই সন্ত্রাস মডেলটিকে ভেঙে দেয়। তদন্তে উঠে এসেছে প্রায় ৩০০০ কেজি বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির উপকরণ, যা দিল্লির কাছে তাঁদের ভাড়া করা ঘরগুলিতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। শাহীনার গাড়ি থেকেও উদ্ধার হয়েছে রাইফেল ও গুলি।
সূত্রের মতে, আল ফালাহ ইউনিভার্সিটিতে মুজাম্মিলের কক্ষে গোপন বৈঠক করে দিল্লিতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষছিল দলটি। সহযোগীরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর আতঙ্কে উমর সময়ের আগেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেলেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications