• search

ঘন ঘন সন্তান নিয়ে সামাজিক বিদ্রুপ! জন্মের পর চতুর্থ সন্তানকে চার্চে ফেলে এলেন বাবা-মা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    স্ত্রী চতুর্থবারের জন্য সন্তানসম্ভবা হওয়ায় বিদ্রুপ করতো পাড়া প্রতিবেশীরা। তাই সন্তানের জন্মের পর 'লোকলজ্জা'-র ভয়ে সন্তানকে চার্চে রেখে এসেছিলেন কেরলের এক দম্পতি। সিসিটিভি দেখে ত্রিশুরের সেই লাজুক বাবা-মা'কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঘন ঘন সন্তান হওয়া নিয়ে সামাজিক বিদ্রুপ!

    ঘটনাটি কেরলের ত্রিশুরের। এরাপ্পাল্লির সেন্ট জর্জ ফোরেন চার্চের কর্মীরা শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ওই শিশুটিকে চার্চ চত্তরে খুঁজে পান। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে ওই দম্পতিকে চিহ্নিত করে। এরপর সিসি ক্যামেরার ছবি ধরে তল্লাশি চালিয়ে ত্রিশুরের ওয়ারাকাঞ্চেরি এলাকা থেকে আটক করে তাঁদের।

    ঘন ঘন সন্তান হওয়া নিয়ে সামাজিক বিদ্রুপ!

    জানা যায় ৩২ বছরের বিট্টো ও তাঁর ২৮ বছরের স্ত্রী প্রতিভার এই নিয়ে চতুর্থবার সন্তানের জন্ম হয়েছে। পুলিশকে জেরায় বিট্টো জানায় প্রতিভা গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই পাড়া প্রতিবেশীরা তাদের ঘন ঘন সন্তান হওয়া নিয়ে বিদ্রুপ করতে শুরু করে। পাঁচদিন আগে ত্রিশুরের সরকারি হাসপাতালে চতুর্থ সন্তানের জন্ম দেন প্রতিভা। শনিবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন মা ও সন্তান। তারপরই বাড়ি না গিয়ে লোকলজ্জার হাত থেকে বাঁচতে সন্তানকে চার্চে রেখে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ওই দম্পতি।

    সিসিটিভি ক্যামেরার দেখা যায় সন্তানকে চার্চে রেখে যাওয়ার আগে বিট্টো তার কপালে চুমু খাচ্ছে। কিন্তু বিট্টোর দাবি সঠিক কিনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে, তা বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। বিট্টো ও প্রতিবার বিরুদ্ধে ১২ বছরের নিম্নের শিশুকে ত্যাগ করা ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টে নিষ্ঠুরতার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। আপাতত শিশুটিকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে সে ভালই আছে বলে জানিয়েছে কেরল পুলিশ।

    English summary
    Police arrests a couple in Kerala, who abandoned their five-day old baby allegedly out of fear of being socially shamed for having a fourth child.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more