• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

টিউশন ফি জমা না পড়ায় অমানবিক স্কুল! রাজধানীর ৫৯ শিশুর ভাগ্যে এমনই শাস্তি

টিউশন ফি না জমা দেওয়ার অভিযোগ। দিল্লির একটি নামী স্কুলের নার্সারির ৫৯ জন ছাত্রীকে স্কুলেরই বেসমেন্টে আটকে রাখার অভিযোগ। ৪ থেকে ৫ বছরের শিশুকে বন্দি বানারোর অভিযোগ উঠেছে দিল্লির রাবেয়া গার্লস পাবলিক স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

 টিউশন ফি জমা না পড়ায় অমানবিক স্কুল! রাজধানীর ৫৯ শিশুর ভাগ্যে এমনই শাস্তি

ঘটনাটি গত সপ্তাহে প্রকাশ্যে এসেছে। ছাত্রীদের স্কুলে আনতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন অভিভাবকরা। স্কুলের নির্দিষ্ট জায়গায় সন্তানদের দেখতে না পেয়ে সবাই যখন স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান, তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, ফি না জমা দেওয়ার স্কুল ম্যানেজমেন্টের তরফে শিশুদের স্কুলের বেসমেন্টে আটকে রাখা হয়েছে।

ক্ষিপ্ত অভিভাবকরা স্থানীয় থানায় গিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে শিশুদের আটকে রাখা রেখেছিল। প্রায় ৫ ঘণ্টা একইভাবে শিশুদের আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

কিছু অভিভাবকের অভিযোগ, তারা স্কুলের ফি অ্যাডভান্স জমা করেছিলেন। তাও তাদের সন্তানদের স্কুলের বেসমেন্টে আটকে রাখা হয়েছিল।
তবে প্রায় সব অভিভাবকই বলেছেন, এইভাবে শিশুদের আটকে রাখা ফৌজদারি অপরাধ। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং দায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন তাঁরা।

এফআইআর-এর প্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিভাবকদের প্রবল চাপের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু স্কুলকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত স্কুলটি বিখ্যাত হামদর্দ গ্রুপের । প্রত্যেক শিশুর মাসের ফি ২,৫০০ থেকে ২,৯০০ টাকার মধ্যে।

English summary
59 nursery girl students are allegedly locked up in the basement of a reputed school in old Delhi
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more