কর্ণাটকে আরও ৫ ওমিক্রন সংক্রমিত, আশঙ্কা বাড়চ্ছে তৃতীয় ওয়েভের
কর্ণাটকে আরও ৫ ওমিক্রন সংক্রমিত, আশঙ্কা বাড়চ্ছে তৃতীয় ওয়েভের
ওমিক্রন নিয়ে চিন্তা ক্রমশই বাড়ছে ভারতের। এবার কর্নাটকে ফের খোঁজ মিলল ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর। এক- দু'জন নয়, কর্নাটকে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডের এই নয়া স্ট্রেনে। এর ফলে শুধুমাত্র কর্নাটকেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জন।

আফ্রিকায় খোঁজ!
নভেম্বর মাসের একেবারে শেষের দিকে আফ্রিকার দক্ষিণাংশে খোঁজ মিলেছিল ওমিক্রনের। ধীরে ধীরে সেই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে গোটাবিশ্বে। এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে ৮৯টি দেশে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। এই কর্নাটকেই সর্বপ্রথম দু'জন ব্যক্তির দেহে ধরা পড়েছিল নয়া স্ট্রেনটি।

কী ভেবেছিলেন বিশেষজ্ঞরা?
বিশেষজ্ঞরা প্রথমে মনে করছিলেন, বাইরের দেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের মাধ্যমেই ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। এর জন্যই নিয়মিত জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের দাওয়াই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ওমিক্রন আক্রান্তদের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল বিশেষ হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র। তবে ম্যাঙ্গালোর এবং উদিপিতে যে দু'টি কেস পাওয়া গেছে, তাঁদের এরম কোনও অতীত নেই। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করছেন, তাঁরা এমন কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন কিনা যিনি সম্প্রতি কোথাও যাত্রা করেছেন।

কী বলছেন কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী?
কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ কে সুধাকর বলেন, ' কর্নাটকে মোট পাঁচটি কেস পাওয়া গিয়েছে। ধারওয়াডে ৫৪ বছর বয়সী একজন পুরুষ, ভদ্রবাতির ২০ বছর বয়সী এক মহিলা, উদিপি থেকে ৮২ এবং ৭৩ বছর বয়সী দুই পুরুষ এবং ম্যাঙ্গালুরুর ১৯ বছর বয়সী এক যুবতী আক্রান্ত হয়েছেন'। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন ম্যাঙ্গালোর এবং উদিপির মোট তিন আক্রান্ত দু'টি কোভিড ক্লাস্টারের অন্তর্গত। তাঁরা এই মুহূর্তে উপসর্গহীন। এর মধ্যে ১৯ বছর বয়সী যুবতী একজন কলেজ পড়ুয়া। ৯ ডিসেম্বর তারিখে কোভিড পজেটিভ হয়েছিলেন তিনি। বাকি দু'জন পয়লা ডিসেম্বরই কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন।

কর্ণাটকের স্বাস্থ্য আধিকারিক আরও যা জানান!
স্বাস্থ্য আধিকারিকরা আরও জানান, ধারওয়াডের ৫৪ বছর বয়সী পুরুষও সম্প্রতি কোথাও যাত্রা করেননি। তাঁর সংস্পর্শে আসা কেউ কোভিডাক্রান্তও হননি। এই মুহূর্তে তিনি হোম আইসোলেশনে সুস্থই রয়েছেন'।












Click it and Unblock the Notifications