• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কেরলে চার যমজ বোনের বিয়ে এক সঙ্গে, একই সময়ে

যমজ শুনেছেন, কিন্তু একসঙ্গে পাঁচজন জন্মেছে, এরকমটা কি শুনেছেন। ১৯৯৫ সালে কেরলের তিরুবন্তপুরমে এমনই পাঁচ ভাইবোন একসঙ্গে জন্মায়। জন্মের পর থেকে তাঁরা তাঁদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত উদযাপন করেন একসঙ্গে। এবার পাঁচজনের মধ্যে চারবোন একসঙ্গে বিয়ে করতে চলেছেন। তাও আবার একই দিনে, একই সময়ে এবং একই জায়গায়।

কেরলে চার যমজ বোনের বিয়ে এক সঙ্গে, একই সময়ে

উতরাজা, উত্তরা, উত্থামা এবং উথরা এবং তাঁদের একমাত্র ভাই উথরাজন ১৯৯৫ সালের ১৮ নভেম্বর জন্ম নেয় রেমাদেবীর কোলে। পাঁচ সন্তানকে একসঙ্গে পেয়ে বাবা প্রেমকুমার খুশিতে আত্মহারা হয়ে যান। সামান্য স্কেল ব্যবসায়ী তিরুবন্তপুরমের পোথেনকোড গ্রামে নিজের বাড়ির নাম রাখেন '‌পঞ্চ রত্ন’‌। পাঁচ সন্তানের মা রেমাদেবীরই ইচ্ছা ছিল যে চার বোনের বিয়ে একসঙ্গে হবে। পাঁচ সন্তানের মা বলেন, '‌ভগবানের দয়া এবং আমাদের প্রিয় মানুষদের সমর্থনে আমি আমার চার মেয়ের জন্য যোগ্য পাত্র খুঁজে পেয়েছি। আগামী বছরের ২৬ এপ্রিল গুরুওয়ার শ্রী কৃষ্ণের মন্দিরে আমার চার মেয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়বে। ওদের জন্মের সময়ই আমি এই মানত করেছিলাম, যা পূরণ হবে।’‌ তিরুবন্তপুরমের সরকারি হাসপাতালে জন্মের পর থেকেই এই পঞ্চ রত্ন–এর খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যম খবর করতে শুরু করে। স্কুল, তাঁদের দশম শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষা সবকিছুর ওপরই নজর ছিল সংবাদমাদ্যমের। তাঁদের পাঁচজনের একই রকম পোশাক তৈরি করতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খেতে হয়েছে মা–বাবাকেও।

২০০৪ সালে বাবা প্রেমকুমার মারা যান। তারপর থেকে পাঁচ সন্তানকে একাই বড় করে তুলেছেন রেমাদেবী। ব্যাঙ্কে সামান্য চাকরি করে তিনি তাঁর পাঁচ সন্তানকে সমাজের যোগ্য করে তুলেছেন। পাঁচজনই বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সফল হয়েছেন।

English summary
4 sisters of keral tie not together and same time
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more