• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মালদায় ফের শিশুমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য

হাসপাতােল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মালদহ, ১৯ অক্টোবর : শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিমবঙ্গে। এবারও মালদহের সরকারি হাসপাতালেই।

সূত্রের খবর অনুযায়ী গত ৭২ ঘন্টায় অন্তত ১৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘন্টার ভিতরে এদের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গাফিলতির কারণেই এই শিশুমৃত্যু বলে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এমকী শিশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত অধিকাংশ যন্ত্রপাতিই হাসপাতালে নেই, আর থাকলেও তা বিকল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেই কারণেই চিকৎসা হচ্ছে না। ফলে সময় মতো অসুস্থ শিশুদের হাসপাতালে আনা হলেও মৃত্যু হচ্ছে তাদের।

যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী, মৃত শিশুদের বয়স এক বছরের কম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। ওষুধ শিশুদেহে কাজ করার আগেই মৃত্যু হচ্ছে তাদের। এমনকী অধিকাংশ শিশুই স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের। এক্ষেত্রে হাসপাতাল বা চিকিৎসক দায়ী নয় কোনওভাবেই।

হাসপাতালসূত্রের খবর, এদিন এক মহিলা এক সঙ্গে তিনটি শিশুর প্রসব করেন। এক ঘণ্টার মধ্যে ওই তিন সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে।

এদিন শিশুমৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবু হাসেম খান চৌধুরি। হাসপাতাল ঘুরে দেখেন তিনি। হাসপাতালের পরিকাঠামো দিন কে দিন খারাপ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকী রাজ্য সরকার নিয়ম না মেনে নিজের ইচ্ছা মতো হাসপাতালগুলিকে চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।

এই প্রথমবার নয়, এর আগেও চলতি বছরের মে মাসে মালদহের সরকারি হাসপাতালেই ৫ দিনে ১৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তখনও সরকার গঠত তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল জানিয়েছিল মৃত্যুর কারণ অপুষ্টি ও শিশুদের স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের তৈরি করা ৭ সদস্যের দলও এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছিল।

lok-sabha-home
English summary
17 Infants Dead In Malda
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more