করোনা ভ্যাকসিনেশনে নয়া রেকর্ড, ১৫০ কোটি টিকাকরণ ভারতে
করোনা ভ্যাকসিনেশনে নয়া রেকর্ড, ১৫০ কোটি টিকাকরণ ভারতে
'কথা দিয়েছিলেন, কথা রাখলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফল এই নতুন রেকর্ড' ভারতের সার্বিক টিকাকরণ ১৫০ কোটির ঘর স্পর্শ করতেই এই ঘটনাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। দেশের করোনা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতির মাঝখানে এই ঘটনা নতুন বসন্তের মত, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। করোনা পরিস্থিতির হাত থেকে রেহাই পেতে প্রথম থেকেই সার্বিক টিকাকরণের পথে হেঁটেছে দেশ। আর তারই ফল স্বরূপ এই সাফল্য তা বলা বাহুল্য।

১৫০ কোটি টিকাদান
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত দেশে মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৯১ শতাংশেরও বেশি মানুষ কমপক্ষে একটি ডোজ পেয়েছে এবং ৬৬ শতাংশেরও বেশি সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়েসীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। আর ইতিমধ্যে দেশের ২২ শতাংশ কিশোর কিশোরী টিকা পেয়ে গিয়েছে।

কোথায় কত টিকা
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ১৫৪.৩২ কোটিরও বেশি ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে। ১৮.১৪ কোটিরও বেশি অবশিষ্ট করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ এখনও পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে। আগামী দিনে সকল নাগরিকদের টিকাকরণ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

নমোর বক্তব্য
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে আজ ভারতের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন, কারণ সমগ্র জনসংখ্যার মধ্যে ভারতের জনসংখ্যার ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে অন্তত একটি করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মাত্র পাঁচ দিনে ১৫-১৭ বছর বয়সী ১.৫ কোটিরও বেশি কিশোর-কিশোরীকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করার পর সকল দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নমো বলেন, 'আজ আমাদের দেশ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে।'

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টুইট
এদিন গোটা দেশে করোনা টিকাকরণ ১৫০ কোটির লক্ষ স্পর্শ করার পর টুইট করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মনসুখ মান্ডব্য। টুইটে তিনি লিখেছেন, 'এই সাফল্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফল। সবাই যখন একসঙ্গে মিলে কোনও চেষ্টা করে, তখন সেখানে সাফল্য এসে ধরা দেয়।' আর এই মাইল ফলক অতিক্রান্ত করার পর দেশে করোনা পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে রাশ টানা সম্ভব হবে, এমনই আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications