দেড় দিনের মধ্যে ১৫০ টি মামলা, মহারাষ্ট্রের ভোটে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রাধান্য!
মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। এখন ফল ঘোষণার অপেক্ষা। তার মধ্যেই আরও একটি বিষয় সামনে এল। দেড় দিনের দেড়শোটি মামলা রুজু হয়েছে। মহারাষ্ট্র রাজ্য নির্বাচন কমিশন (এসইসি) বিধানসভা নির্বাচনের সময় নীতি লঙ্ঘনের সংখ্যা বাড়ার কথা জানাচ্ছে।
মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে হয়েছে। শাসক - বিরোধী নেতারা আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন। তার মধ্যে কয়েকটি বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা হয়েছে তীব্র আকারে। 'বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে', 'ভোট জিহাদ', 'এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়' এবং 'ধর্মযোদ্ধা'। এই স্লোগানগুলি নিয়ে বেশি বিতর্ক ছড়িয়েছে।

এইসব স্লোগানের ভিত্তিতে ১৫ টি মামলা দায়ের হয়েছে ইতিমধ্যেই। নির্বাচনের সময় কালে মোট ৫০৯টি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। মাত্র দেড় দিনের মধ্যে এতগুলি অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের মধ্যেও। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধের বিরুদ্ধেও নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।
এত অভিযোগের পরেও মহারাষ্ট্রে এবার রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই বিষয়ে ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটারদের ভোট দেওয়ানোর জন্য একাধিক ব্যবস্থাও করেছিল কমিশন। বড় আবাসনগুলিতে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়। ছোট এলাকাতেও ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পাশাপাশি ইভিএম মেশিনের সংখ্যাও বাড়ানো হয়।
এবার ভোটের সময় প্রশাসন যথেষ্ট করা ভূমিকা নিয়েছিল। এই বছর ৭০৯ কোটি টাকার জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নগদ টাকা, মদ ও অন্যান্য জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়৷ ২০১৯ সালের নির্বাচনে বাজেয়াপ্ত করা ১২৩ কোটি টাকার নগদ, মদ এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র। এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি এই টাকার অঙ্কের পরিমাণের কথা বলেছে।
ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। সেই কারণে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করাও ছিল কমিশন ও প্রশাসনের কাজ। সেই কাজের জন্য যথেষ্ট নজরদারিও চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications