Nirbhaya Case: নির্ভয়া মামলার ১১ বছর! মৃত্যু থেকে ফাঁসি সেই সময়ের বিভিন্ন ঘটনার টাইম লাইন
Nirbhaya Case: ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে। মহিলাদের মধ্যে সংগঠিত অপরাধ বেড়েই চলেছে। তারই মধ্যে নির্ভয়া মামলা এদিন পড় এগারো বছরে। ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল।
ফিজিওথেরাপির ২৩ বছরের এক ছাত্রীকে চলন্ত বাসে চরম লাঞ্ছনার পরে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। এর কয়েকদিন পরে তাঁর মৃত্যু হয়। সেই সময় যৌন হিংসা বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন নাগরিকরা।

এই মামলার টাইম লাইন দেখে নেওয়া যাক একনজরে
- ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ দিল্লির চলন্তবাসে গণধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে। এরপর ২৯ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে সে মারা যায়। ছয় ব্যক্তি মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, অক্ষয় কুমার সিং, পবন গুপ্তা এবং রাম সিং দোষী সাব্যস্ত হয়।
- ঘটনার একদিন পরে ১৭ ডিসেম্বর বাস চালক রাম সিং, তার ভাই মুকেশ, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
- ২১ ডিসেম্বর আনন্দ বিহার বাস টার্মিনাস থেকে কিশোর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
- ২৯ ডিসেম্বর, সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় নির্ভয়ার, যার জেরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।
- ২০১৩-র ২ জানুয়ারি দেশের প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীর যৌন অপরাধের মামলার দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্টট্র্যাক কোর্ট গঠন করেন।
- ৩ জানুয়ারি দিল্লি পুলিশ পাঁচ প্রাপ্ত বয়স্ক আসামীর বিরুদ্ধে খুন, গণধর্ষণ, খুনের চেষ্টা, অপহরণ-সহ বিভিন্ন অভিযোগ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করে।
- ১৭ জানুয়ারি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে পাঁচ প্রাপ্ত বয়স্কের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১১ মার্চ অভিযুক্তদের মধ্যে রাম সিং তিহার জেলে আত্মহত্যা করে।
- ৫ জুলাই কিশোর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয় এবং রায় ১১ জুলাইয়ের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।
- ১০ সেপ্টেম্বর আদালত মুকেশ, বিনয়, অক্ষয়, ও পবনকে গণধর্ষণ-সহ ১৩ টি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে।
- ১৩ সেপ্টেম্বর চার আসামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।
- ২৩ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি শুরু হয় হাইকোর্ট।
- ২০১৪-র ৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় সংরক্ষিত করা হয়।
- ১৩ মার্চ হাইকোর্ট মামলাটিকে বিরলতম বলে চার আসামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
- ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট মুকেশ ও পবনের ফাঁসি স্থগিত রাখে এবং পরে অন্যদের ফাঁসি স্থগিত করে পর্যালোচনা চলতে থাকে।
- ২০১৫-র ৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দিকটি পুনরায় পরীক্ষা করার কথা বলে।
- ২৭ মার্চ দোষীদের দায়ের করা আপিলের ওপরে সুপ্রিম কোর্ট রায় সংরক্ষণ করে।
- ৫ মে সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
- ৪ নভেম্বর দোষী সাব্যস্তদের মধ্যে মুকেশ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে।
- ১২ ডিসেম্বর দিল্লি পুলিশ সুপ্রিম কোর্টে মুকেশের আবেদনে আপত্তি জানায়।
- ১৫ ডিসেম্বর অপর দুই দোষী সাব্যস্ত হওয়া বিনয় শর্মা এবং পবন গুপ্তাও রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায়।
- ২০১৬-র ৪ মে সুপ্রিম কোর্ট দোষীদের রিভিউ পিটিশনের ওপরে রায় সংরক্ষণ করে।
- ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট দোষীদের রিভিউ পিটিশন প্রত্যাখ্যান করে।
- ২০১৯-র ফেব্রুয়ারিতে নির্ভয়ার মা-বাবা দিল্লির একটি আদালতে চার দোষীর মৃত্যু পরোয়ানা জারির অনুরোধ করেন।
- ২০১৯-এর ১০ ডিসেম্বর দোষী সাব্যস্ত অক্ষয় সুপ্রিম কোর্টে মৃত্যুদণ্ডের আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে।
- ১৯ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট পবন গুপ্তার কিশোর হওয়ার দাবি খারিজ করে দেয়।
- ২০২০-র ৬ জানুয়ারি দিল্লির একটি আদালত পবন গুপ্তার বাবার দায়ের করা অভিযোগ খারিজ করে দেয়।
- ৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি আদালত ২২ জানুয়ারি সকাল সাতটা সবার ফাঁসি দেওয়া হবে বলে সময় নির্ধারণ করে।
- ১৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট বিনয় ও মুকেশের দায়ের করা কিউরেটিভ পিটিশন খারিজ করে দেয়।
- মুকেশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করে।
- ১৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ মুকেশের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
- ট্রায়াল কোর্ট নতুন মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে ফাঁসির তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ছয়টায় নির্ধারণ করে।
- ২৫ জানুয়ারি মুকেশ প্রাণ ভিক্ষার আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায়।
- ২৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট মুকেশের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।
- ৩০ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট অক্ষয় সিংয়ের দায়ের করা কিউরেটিভ পিটিশন খারিজ করে দেয়।
- ৩১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট পবনের দায়ের করা আবেদন খারিজ করে।
- দিল্লির একটি আদালত পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত মৃত্যু পরোয়ানা কার্যকর করা স্থগিত বলে ঘোষণা করে।
- পয়লা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ট্রায়াল কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যায়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট কেন্দ্রের আবেদন খারিজ করে দেয়।
- ১৭ ফেব্রুয়ারি ৩ মার্চের জন্য নতুন করে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে।
- ৫ মার্চ পাতিয়ালা হাউস কোর্ট চার দোষী সাব্যস্তের জন্য নতুন মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে ২০ মার্চ ফাঁসির দিন নির্ধারণ করে।
- ১৩ ডিসেম্বর নির্ভয়ার মা রিভিউ পিটিশনের বিরুদ্ধে আবেদন করেন।
- ১৮ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট পবন গুপ্তার আবেদন খারিজ করে দেয়।
- ২০২০-র ২০ মার্চ বিচারপতি অভিযুক্তদেক ফাঁসির রায় বহাল রাখেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ভোরে চার দোষী সাব্যস্তের ফাঁসি দেওয়া হয়।
More From
-
কমিশনের নজিরবিহীন পদক্ষেপ! চিকিৎসকরাও এবার ভোটের ডিউটিতে, চাকরিহারা শিক্ষকদের নিষেধাজ্ঞা, কড়া নির্দেশ EC-র -
মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ফেরিঘাট থেকে সোজা পদ্মায় তলিয়ে গেল যাত্রীবোঝাই বাস, মৃত ১৮, নিখোঁজ বহু -
লোকসভায় বাড়তে পারে আসন সংখ্যা! কোন রাজ্যে কত হতে পারে আসন, বাংলার আসন বেড়ে হতে পারে কত? জানুন একনজরে -
'আবারও লকডাউন করে সবাইকে লাইনে দাঁড় করাবে', মোদী সরকারকে তোপ মমতার, কী বললেন? -
কলকাতায় গভীর রাতে গুলির তাণ্ডব, ছাদে গুলি লেগে মৃত ১ -
ভোটের আগে বড় চাল! তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট আনছেন অমিত শাহ, কবে প্রকাশ? ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবেন বিজেপি কর্মীরা -
বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে কতজনের নিষ্পত্তি? নতুন করে বাদই বা গেল কতজনের নাম? কী জানাল কমিশন -
বড় সিদ্ধান্ত EC-র! প্রিসাইডিং থেকে মাইক্রো অবজার্ভার, ভাতা বাড়ল সব স্তরের কর্মীদের, কোন পদে কত? জেনে নিন -
প্রচার ঘিরে রণক্ষেত্র বাসন্তী! বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ, আহত পুলিশকর্মীরাও, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, আটক ৮ -
ভারতের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান, বন্ধুত্বপূর্ণ ৫টি দেশের ওপর অবরোধ থাকবে না -
ভোটের আগে কড়া নজরদারি, কোচবিহারে নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ল বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা -
পাকিস্তানের মত 'দালাল দেশ' ভারত নয়, ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষে মধ্যস্থতা নিয়ে কড়া সমালোচনা জয়শঙ্করের












Click it and Unblock the Notifications