ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের যৌনাঙ্গ খিমচে রক্ত বের করে শাস্তি শিক্ষকের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের যৌনাঙ্গ খিমচে রক্ত বের করে শাস্তি শিক্ষকের
    রাজামুন্দ্রি, ১৪ নভেম্বর : এ কেমন শাস্তির ধার। ১০ বছরের এক ছাত্রকে শাস্তি দিতে তার যৌনাঙ্গে আক্রমণ শিক্ষকের? চোট এতটাই গুরুতর যে শেষ পর্যন্ত ওই ছাত্রের যৌনাঙ্গে সেলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রর একটি বেসরকারি স্কুলে।

    পূর্ব গোদাবরী জেলার রাজামুন্দ্রির একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের অভিযোগ, তাঁকে শাস্তি দিতে অঙ্কের শিক্ষক তার যৌনাঙ্গে নখ বসিয়ে চিমটি কাটে। আর তার জেরে রক্তে ভেসে যায় তাঁর প্যান্ট। ওই ছাত্রের কথায়, "আমরা সিড়ি দিয়ে নামছিলাম, সামনে শিক্ষকরা ছিলেন। একটি ছেলে আমায় ধাক্কা দেয়। আর তাতেই রেগে যান শিক্ষক। নখ বসিয়ে আমায় চিমটি কাটেন। আমি কোনওমতে নীচে চলে আসি, ততক্ষণে রক্ত বেরতে শুরু করে দিয়েছিল।"

    যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অঙ্কের শিক্ষক। তাঁর কথায়, ছাত্রটি হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে পড়ে যাচ্ছিল। তাই তাকে বাঁচানোর জন্য ধরতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত আঘাত লেগে যায় ছাত্রটির। জেনেবুঝে তিনি কিছুই করেননি।

    যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে লিখিতভাবে ওই ছাত্রের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে। তবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুল বা ছাত্রের পরিবারের তরফে কোনওরকম অভিযোগ দায়ের করা হয়ি।

    স্কুলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, "এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও দুবার সতর্ক করা হয়েছে ওই শিক্ষককে। তাই স্কুলের ভিতর ছাত্রদের হেনস্থার ঘটনা সত্যিই ঘটছে তা আমরা বুঝতে পারছি। এই ঘটনার তদন্ত করব আমরা।"

    অন্যদিকে নির্যাতিত ছাত্রের মা জানিয়েছেন, "এটা প্রথমবারের ঘটনা নয়। আমার আরও দুই সন্তান ওই স্কুলেই পড়ে। সবসময় চিন্তায় থাকি, আজ বাড়ি ফিরলে কি শুনব ওদের মুখ থেকে।"

    English summary
    10-Year-Old in Andhra Pradesh Allegedly Injured in Genitals by Teacher

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more