Durand Cup 2024: প্রতিবাদী সমর্থকদের আটক! তীব্র প্রতিবাদ তৃণমূল সাংসদের, মধ্যরাতে লালবাজারে কল্যাণ চৌবে
আরজি কর ইস্যুতে ক্রমেই শাসক দলের অস্বস্তি বাড়াচ্ছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। এরআগে আরজি কাণ্ডে দলের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরক পোস্ট করেছিলেন সুখেন্দু। এবার ডার্বি বাতিলের প্রতিবাদে সমর্থকদের উপর পুলিশের দমন নীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বর্ষীয়ান এই নেতা।
ডুরান্ড কাপের ডার্বি বাতিলের প্রতিবাদে রবিবার সারা রাজ্য জুড়ে পথে নামেন ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিংয়ের সমর্থকরা। যুবভারতীর সামনের রাস্তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। সমর্থকদের বিক্ষোভ আটকাতে আগেই ১৬৩ ধারা জারি করে বিধাননগর পুলিশ। কিন্তু তাতেও তিন প্রধানের সমর্থকরা দমে যাননি। কিন্তু সমর্থকদের বিক্ষোভ সামাল দিতে ব্যাপক দমননীতি প্রয়োগ করে পুলিশ। এরই বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হলেন সুখেন্দু শেখর।

সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল ও জমায়েত রুখতে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছিল বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ও সংলগ্ন এলাকায়। যুবভারতীর সামনে যেতে না পারলেও বাইপাসের উপরেই সমর্থদের ধরপাকড় ও লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করার পর প্রিজন ভ্যান থেকে তাঁদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ।
I appeal to all football and sports lovers to protest unitedly against the arbitrary arrests of supporters of Mohunbagan and East Bengal in a peaceful and democratic manner. Jai Mohunbagan! Jai East Bengal!
— Sukhendu Sekhar Ray (@Sukhendusekhar) August 18, 2024
পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে প্রতিবাদী সমর্থকরদের সরিয়ে দেওয়ার জন্যে ছুটে যান। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। অনেকেই এদিক ওদিক ছুটতে থাকেন। তাঁরা জোরগলায় বলতে থাকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ছত্রভঙ্গ করে জোর করে আমাদের আটক করছেন। কিন্তু বেশ কয়েকজন সমর্থককে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় লালবাজারে।
সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে রাতেই লালবাজারে চলে যান। নিজের আইনজীবী নিয়ে আটক কয়েকজন ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকদের ছাড়াতে উদ্যোগী হন এআইএফএফ সভাপতি। ফেডারেশন সভাপতির দাবি পুলিশ রাতে এই সমর্থকদের লকআপেই রাখতে চেয়েছিল এবং সোমবার আদালতে তোলার পরিকল্পনা করছিল।
কল্যাণ সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, 'সদ্যই লালবাজারে পুলিশের প্রধান কার্যালয় থেকে আমাদের সমর্থকদের বেল করিয়ে নিয়ে ফিরছি। ওরা যাতে পুলিশ স্টেশনে রাতা কাটানোর যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে না যায়, সেটা সুনিশ্চিত করেছি।'
Just left the Police HQ, Lalbazar , after securing bail for our football fans, and ensuring they are not subjected to any trauma of spending night at police station. pic.twitter.com/9dCpOQum6y
— Kalyan Chaubey (@kalyanchaubey) August 18, 2024
সব মিলিয়ে ডার্বি বাতিল ইস্যুতে রবিবার আরও চাপে পড়ল প্রশাসন। বাংলার সর্বত্র প্রতিবাদে সামিল হলেন সমর্থকরা।












Click it and Unblock the Notifications