ভাল খেলেও হার পেরুর, ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া দলটা ছিটকে গেল গ্রুপ থেকেই
পেরুকে হারিয়ে বিশ্বকাপের পরের রাউন্ড প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল ফ্রান্স।
রাশিয়া বিশ্বকাপের পরের রাউন্ডে যাওয়ার দিকে এক পা এগিয়ে রাখল ফ্রান্স। পেরুকে তারা হারিয়ে দিল ১-০ গোলে।
এদিন একাটেরিনবার্গ এরিনায় পেরুর মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে পরের রাউন্ডে পৌছনোর জন্য জয় প্রয়োজন ছিল ফ্রান্সের। আর সেই কাজটাই করে দেখালেন অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যানরা। ফ্রান্সের এই জয় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিল পেরুকে।

গত ম্যাচে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে হারের ফলে এই ম্যাচ থেকে পুরো তিন পয়েন্ট প্রয়োজন ছিল পেরুর। মাস্ট উইন ম্যাচ ছিল এটা লাতিন আমেরিকার দলটির কাছে। কিন্তু মাস্ট উইন ম্যাচে জয় তুলতে পারল না পেরু।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্রান্স। ১০ মিনিটের পর পেরু কিছুটা আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ালেও প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময় থেকে ফের ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ফ্রান্সের ফুটবলাররা। আর এর পরই ম্যাচে ৩৪ মিনিটে গোল করে ফ্রান্সের একমাত্র গোটটি করেন এমবাপে। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে সর্ব কনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে ফ্রান্সের জার্সিতে গোল করলেন।
গোলের পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দেয় ফ্রান্স। কিন্তু একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও আর গোল করতে পারেনি তারা। ফ্রান্সের পক্ষে ১-০ গোলে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
আশা করা হয়েছিল প্রথমার্ধের শেষে যে আক্রমণাত্মক খেলার নমুনা রেখেছিল ফ্রান্স, সেই ধারাই তারা বজায় রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ অন্য খেলা উপহার দিলেন পেরুর ফুটবলাররা। যে দলটাকে একটা সময়ে ফ্রান্সের লাগাতার আক্রমণে দিশেহারা দেখাচ্ছিল, সেই দলটাই দুর্দান্ত ফুটবলের ছবি আঁকল একাটেরিনবার্গ এরিনার সবুজ গালিচায়।
পেরুর লাগাতার আক্রমণে একটা সময় ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে গিয়েছিল ফ্রান্সের রক্ষণ দূর্গে। এরই মাঝে পেরুর আকুইনোর একটি শট সোজা গিয়ে বারে। এর পরও একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও কাঙ্খিত গোলটি তুলে নিতে পারেনি পেরু। ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ইতিহাস তৈরি করেও গ্রুপ রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হল পেরুকে।












Click it and Unblock the Notifications