সুভাষ স্মরণে সন্তর্পনে এটিকে বিতর্ক এড়িয়ে গেলেন মোহনবাগানের অর্থ সচিব
সুভাষ স্মরণে সন্তর্পনে এটিকে বিতর্ক এড়িয়ে গেলেন মোহনবাগানের অর্থ সচিব
মোহনবাগান ক্লাবে আয়োজিত হল সুভাষ ভৌমিক সহ নয় জন প্রাক্তন ফুটবলার, প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং এক ক্লাবকর্তার শোকসভা। বিগত দুই বছরে কোভিডের কারণে ময়দানকে শূন্য করে চলে গিয়েছেন একের পর এক তারকা। এই তালিকায় নবতম সংযোজন সুভাষ ভৌমিক।

এ দিন সুভাষ সহ অন্যান্যদের স্মরণে মোহনবাগাবন ক্লাবে মানুষের ঢল নেমেছিল চোখে পড়ার মতো।
অতীত দিনের দিকপাল ফুটবলারদের স্মরণে এদিন ক্লাব তাঁবুতে উপস্থিত হয়েছিলেন তারকা প্রাক্তনীরা। শুধু সাত বা আটের দশকের প্রাক্তনীরাই নন, এ দিনের শোক সভায় উপস্থিত ছিলেন চলতি শতাব্দীতে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে কাঁপানো শিলটন পাল, ব্যারেটোর মতো মোহনবাগানের প্রাক্তন তারকা।
মোহনবাগান ক্লাব কর্তা এবং ফুটবলারদের পাশাপাশি দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের প্রতিনিধি দল এসে সম্মান জানিয়ে যান প্রয়াত নক্ষত্রদের। মন ভারী করে দেওয়া দিনে এ দিন ঘুরে ফিরে এল এটিকে মোহনবাগান প্রসঙ্গ। সদস্য সমর্থকেরা বারবার দাবি করেছেন মোহনবাগান নামের আগে থেকে যেন সরানো হয় এটিকে নামটি। এই বিতর্ক'কে এডিয়ে গিয়ে বাগানের অর্থ সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, "এখন এই নিয়ে আমরা ভাবছি না। আমরা এখন চিন্তা করি আইএসএল-এ কী ভাবে ভাল করে খেলব। পরে এই নিয়ে আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্য এই দলটাকে আমরা দুই বছর ধরে গড়ে তুলেছি। প্রতি ফুটবলারদের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি রয়েছে। আগে আমাদের কাছে টাকা পয়সার অভাব ছিল, আমরা এক বছরের টিম করতাম কিন্তু নতুন কোম্পানি আসার পর সেটা বদলেছে। আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করি। পরের কেউ আসতে পারে আরও টাকা পয়সা নিয়ে কিন্তু কেউই তাদের খেলাতে পারবে সকলের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি আছে।"
পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল টিম বানানোর জন্য সময় না পাওয়া নিয়েও নাম না করে ক্লাব কর্তাদেরই কাটাক্ষ করেন মোহনবাগানের ডিডি।
তিনি জানান, একটা দলকে গড়ে তুলতে হয় নিজের সন্তানের মতো করে,তাকে সময় দিতে হয়। হটকারিতায় ভাল দল গড়া সম্ভব নয়। এ দিন দেবাশিস দত্তের কথা থেকেই পরিস্কার বাইরে সমর্থকরা যতই আঁকচা আঁকচি করুক না কেন তাতে কোনও প্রভাবই পড়বে না দলের উপর। এটিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মোহনবাগান যে ভাবে এটিকে মোহনবাগান নামে সাফল্যের রাস্তায় এগিয়ে চলেছে সেই যাত্রা বজায় থাকবে।
মোহনবাগানের ঠিক দুই দিন আগে সুভাষ ভৌমিকের স্মরণ সভা আয়োজিত হয়েছিল ইসবেঙ্গলে। সে দিনও ময়দানের প্রাক্তনীরা সহ তাঁর অনুগত শিষ্যরা ভিড় জমিয়ে ছিলেন পরশি ক্লাবে। মোহনবাগানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেই স্মরণ সভার তুলনায় নিজেদের আয়োজিত স্মরণ সভায় লোক বেশি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও ইস্টবেঙ্গলের নাম উল্লেখ করেননি তিনি। এ দিন প্রাক্তনীদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী সবুজ-মেরুন তাঁবুতে উপস্থিত ছিলেন, শ্যাম থাপা, শ্যামল বন্দ্যোপাধ্যায়, মানস ভট্টাচার্য, বিদেশ বসু, সমরেশ চৌধুরি (পিন্টু), হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটো, সুব্রত ভট্টাচার্য্য, শিলটন পাল, সংগ্রাম মুখোপাধ্যায়, রহিম নবি সহ বহু প্রাক্তনী।












Click it and Unblock the Notifications