স্বাধীনতা দিবস ২০২৪: জাতীয় পতাকা সম্পর্কে এই অজানা তথ্যগুলি কি আপনার জানা?
চলতি বছর ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস পালন করবেন ভারতবাসী। শেষ মুহূর্তে দেশজুড়ে প্রস্তুতি কিন্তু তুঙ্গে। ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশের বীর সন্তানরা ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট দেশকে স্বাধীন করেছিলেন।
তাঁদের আত্মত্যাগ, বলিদানের জন্য আজ আমরা স্বাধীন। এই বিশেষ দিনে দেশের নানান প্রাপ্তে পতাকা তুলে, শহীদের সম্মান জানানো হয়। দেশের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে অনেকেই এই অজানা তথ্যগুলি অনেকেই জানেন না। জানুন সেই তথ্যগুলি।

- তেরঙ্গা এই যে তিনটি রঙ রয়েছে, তা হচ্ছে গেরুয়া, সাদা, সবুজ। গেরুয়া হচ্ছে শক্তি ও সাহসের প্রতীক। সাদা হচ্ছে শান্তি ও সত্যের প্রতীক। সবুজ হচ্ছে ত্যাগ, আত্মত্যাগ, আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। অশোক চক্র ধর্ম অনুশাসনের প্রতীক।
- আমাদের দেশের পতাকা আয়তক্ষেত্র আকারে তৈরি করতে করা হয়। তেরঙ্গার অনুপাত ৩:২। তবে অশোক চক্রের কোনও নির্দিষ্ট পরিমাপ নেই। পতাকায় ২৪ টি নীল রঙের দণ্ডযুক্ত অশোকচক্র রয়েছে।
- পতাকার নকশার পিছনে কিন্তু একটি বড় ইতিহাস হয়েছে। ভারতীয় পতাকার নকশা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পতাকা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই তৈরি হয়েছিল।
- আমাদের দেশে ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া নামের একটি আইন রয়েছে। যেখান থেকে পতাকা উত্তোলনের নিয়মগুলি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যারা এই আইন লঙ্ঘন করবেন তাদের জেল পর্যন্ত হতে পারে।
- কোনও কারণেই পতাকা মাটি বা জলে স্পর্শ করবে না। এটা কিন্তু বাধ্যতামূলক। জাতীয় পতাকা নীচে বা জলে পরার অর্থ হল দেশকে অপমান করা।
- স্বাধীনতা দিবসে যখন পতাকা উত্তোলন করা হয়, সে সময় যিনি বক্তব্য রাখেন তার মুখ থাকে দর্শকদের দিকে। তবে তার ডানদিকে অবশ্যই পতাকা রাখা উচিত।
- পতাকার রঙের কোনও পোশাক কখনই পরা উচিত নয়। কোনও রকম সাজসজ্জাতেও পতাকা ব্যবহার করা যায় না।
- দেশ স্বাধীন হবার পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর জহরলাল নেহেরু দিল্লির লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications