Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Dark Days Of Emergency: পিছনে ছিলেন পাঁচ নেতানেত্রী! যাঁদের জন্য কোটি কোটি মানুষ অধিকার হারিয়েছিলেন

দেশে জরুরি অবস্থার (Dark Days Of Emergency) ৪৮ বছর পূর্ণ হল ২৫ জুন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে কেন্দ্রে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূর্ণের জন্য জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দেয়। ২১ মাসের জরুরি অবস্থার সময় একলক্ষের বেশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জেলে পাঠিয়েছিল তৎকালীন সরকার।

জরুরি অবস্থা জারির পরে সাধারণ নাগরিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মিসা জারি করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আবার মিসা আইনে যাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাঁদের বিচারের জন্য আদালতে শুনানি পর্যন্ত হয়নি। দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণায় পাঁচ নেতার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

Indira Gandhi

জরুরি অবস্থা ঘোষণায় (Dark Days Of Emergency) যাঁর নাম প্রথমেই আসে তিনি হলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের নাতি ইন্দিরা গান্ধীকে জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়েও তিনি জরুরি অবস্থা জারিকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জরুরি অবস্থার দরকার ছিল।

নিজের মাকে জরুরি অবস্থা জারি করতে রাজি করিয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। সঞ্জয় গান্ধী সেই সময় ছিলেন যুব কংগ্রেসের সর্বেসর্বা। এলাহাবাদ হাইকোর্টে ইন্দিরা গান্ঘী সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পরে সঞ্জয় গান্ধীই তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে না যেতে আবেদন করেছিলেন।

সঞ্জয় গান্ধী বলেছিলেন, যদি অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার দেওয়া হয়, তাহলে তিনি অভ্যুত্থান ঘটাতে পারেন। আর জরুরি অবস্থা জারির (Dark Days Of Emergency) পরে সঞ্জয় গান্ধী প্রশাসনের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন। সঞ্জয় গান্ধীর সঙ্গে মতবিরোধের কারণে সেই সময় মন্ত্রিসভা ছেড়েছিলেন পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইন্দ্রকুমার গুজরাল।

Indira Gandhi

জরুরি অবস্থার খলনায়কদের মধ্যে অন্যতম হলেন, ইন্দিরা গান্ধীর পুত্র সঞ্জয় গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বংশীলাল। নেহরু পরিবারের সদস্য বিকে নেহরু নিজেত আত্মজীবনীতে সেই কথা উল্লেখ করে বলেছেন, জরুরি অবস্থা জারির আগে তিনি বংশীলালের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ১৯৬৮ সালে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী হওয়া বংশীলাল সঞ্জয় গান্ধীকে মারুতির কমি পেতে সাহায্য করেছিলেন।

১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধী রায়বেরিলি থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন। কিন্তু সেই জয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়। সেখানে ইন্দিরা গান্ধীর লোকসভার সদস্য পদ খারিজ হয়ে যায়। এরপরেই ইন্দিরা গান্ধী মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত (Dark Days Of Emergency) অনুমোদন করিয়ে নেন।

Indira Gandhi

জরুরি অবস্থা জারিরর জন্য দ্বিতীয় যে কারণ ছিল, তা হল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মুদ্রাস্ফীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বিরোধী নেতারা। যা সামলাতে ইন্দিরা গান্ধী নিজেই জরুরি অবস্থা জারি করেন।

সর্বশেষ যে ব্যক্তি না হলে দেশে জরুরি অবস্থা (Dark Days Of Emergency) জারি হত না, তিনি হলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ। ১৯৭৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর পছন্দে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন তিনি। আর ১৯৭৫-এ ইন্দিরা গান্ধী যখন তাঁকে রাষ্ট্রপতি জারি নিয়ে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কথা জানান, সেই সময় তিনি সরাসরিই ইন্দিরা গান্ধীকে বলেছিলেন বিকল্প না থাকলে ফাইল পাঠান।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+