Cyclone Dana: কতটা ক্ষতি করবে ঘূর্ণিঝড় দানা, কীভাবে চালাতে পারে তাণ্ডব?
সময়ের সঙ্গে আরও ঘনীভূত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় দানা। আগামী কাল সেটি অতি ঘূর্ণিঝড়ের আকার নেবে। এই কথা জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকালের মধ্যে স্থলভাগে আঘাত করবে দানা।
ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের উপর এই ঘূর্ণিঝড়ের ভালো প্রভাব পড়বে৷ ঘূর্ণিঝড়ের ফলে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে৷ দুই রাজ্যের উপকূল এলাকার প্রচুর গ্রামের উপর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে পারে৷

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওড়িশার ভিতরকণিকা এলাকায় এই ল্যান্ডফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইএমডির তথ্য অনুসারে, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। ওড়িশার ১৪ টি জেলাকে সতর্ক করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব অনেক বেশি থাকবে। হাওড়া, ঝাড়গ্রাম, হুগলি, কলকাতা, বাঁকুড়ায় এর প্রভাবও পড়বে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কাঁচা, মাটির বাড়ির অনেক ক্ষতি হতে পারে। টিন, টালি, খড়ের চাল উড়ে যেতে পারে ঝড়ে। এছাড়াও প্রবল বৃষ্টিতে দেওয়াল ধসে পড়তে পারে। বড় গাছ ভেঙে পড়তে পারে। গাছের ডাল ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকছেই। এছাড়াও ঝড়ের ফলে উপড়ে যেতে পারে দুর্বল ছোট গাছ। হাইওয়ের উপর বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে। এছাড়াও জলের তোড়ে কাঁচা রাস্তা ভেসে যেতে পারে।
বহু জায়গাতেই নদী বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফসলের জমিতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। প্রায় পেকে যাওয়া ধান কেটে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শীতকালীন ও অন্যান্য ফসলের চাষের ক্ষতি হবে। এই কথা মনে করা হচ্ছে৷ মাছ চাষের জলাশয়গুলি জাল দিয়ে ঘেরা হচ্ছে। কিন্তু কতটা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে? সেই প্রশ্ন থাকছেই।
উপকূল এলাকাগুলিতে প্রশাসন নজরদারি চালাচ্ছে। দিঘা ও অন্যান সমুদ্র উপকূল ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের হোটেল ছেড়ে নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রশাসনের তরফ থেকে। কিছু সংখ্যক মানুষ এখনও দিঘাতে রয়েছেন বলে খবর। পূর্ব মেদিনীপুর সমুদ্র উপকূল এলাকা পর্যটক শূন্য করার নির্দেশ রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications