Kohli On ABD: তিন ক্রিকেটার আইসিসির হল অব ফেমে, এবিডিকে নিয়ে বিরাটের অভিজ্ঞতায় ফোকাসে ইডেনের সেই ম্যাচ
Kohli On ABD: আইসিসির হল অব ফেম-এ ঠাঁই পেলেন তিন তারকা। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক অ্যালেস্টেয়ার কুক এই সম্মান পেলেন।
ভারতের মহিলা দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার নীতু ডেভিডও এবিডি ও কুকের সঙ্গে ঢুকে পড়লেন আইসিসি হল অব ফেমে। তারপরই এবিডিকে নিয়ে আবেগঘন চিঠি লিখলেন বিরাট কোহলি।

আইসিসির তরফে বিরাটের সেই চিঠিতে উঠে এলো ২০১৬ সালে ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচের কথা। এবিডি আইসিসি হল অব ফেমে জায়গা করে নেওয়ায় বিরাট কোহলি যারপরনাই খুশি। তাঁদের বন্ধুত্ব খুবই নিবিড়, যা দৃঢ় করেছে আরসিবি শিবিরে একসঙ্গে থাকা।
বিরাট লিখেছেন, কেকেআরের বিরুদ্ধে কলকাতায় আমরা ১৮৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিলাম। বল করছিলেন সুনীল নারিন, মর্নি মরকেল, আন্দ্রে রাসেল, শাকিব আল হাসান। এবিডি ব্যাট করতে নামেন ৭০ রানের আশেপাশে (আরসিবির প্রথম উইকেট পড়েছিল ৭১ রানে)।
বিরাট জানান, সেই ম্যাচে এবি ডি ভিলিয়ার্স কয়েকটি শট খেলেন, কিছু মিস করেন। টাইমআউটে বিরাটকে এবিডি বলেছিলেন, নারিনের বল ধরতে পারছেন না। তখন বিরাট বলেন, স্ট্রাইক তাঁকে দিতে এবং তিনিই বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করবেন ক্যারিবিয়ান স্পিনারের বিরুদ্ধে।
টাইমআউটের পর নারিন প্রথম যখন বল করতে যান তখন বিরাট ভাবছিলেন এক রান নিয়ে হয়তো এবিডি স্ট্রাইক তাঁকেই দেবেন। কিন্তু বিরাট অবাক হয়ে দেখলেন এবিডি লেগ সাইডে কিছুটা সরলেন, নারিন তাঁকে ফলোও করলেন। যদিও সেই ডেলিভারিটি স্কোয়্যার লেগ দিয়ে স্লগ স্যুইপের মাধ্যমে ওড়ালেন ডি ভিলিয়ার্স। ৯৪ মিটারের ছক্কা!
বিরাট আজও বুঝতে পারেননি সেদিন টাইমআউটে এবিডি কীভাবে নিজের উপর এই বিশ্বাস রাখতে পারলেন যে তিনিই পারবেন! এটা অস্বাভাবিক এক ভাবনা বলেই উপলব্ধি কোহলির। বিরাট বলেন, আমি যদি কারও বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করি তাহলে স্ট্রাইক থেকে সরে যাই। কিন্তু এবিডি বল ঠিকঠাকভাবে না পেলেও ৯৪ মিটারের ছক্কা মারতে পারেন।
বিরাট লিখেছেন, এবি ডি ভিলিয়ার্স এমন কিছু করতে পারেন যা অন্যের ভাবনাতেই আসে না। আর এবিডির কীর্তি দেখে সকলে ভাবেন কীভাবে এটা সম্ভব? বিরাটের সঙ্গে এবিডির বোঝাপড়া এতটাই ভালো জায়গায় ছিল, যে রান নেওয়ার সময় কল করতেও হতো না। তাঁদের রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেটস ফিল্ডারদের উপরও চাপ তৈরি করতো।
বিরাট যে ইডেন ম্যাচের উল্লেখ করেছেন, তাতে আরসিবি ৯ উইকেটে হারিয়েছিল কেকেআরকে। ৮ বল বাকি থাকতেই। বিরাট ৫১ বলে ৭৫ করে ম্যাচের সেরা হন। এবিডি ৩১ বলে ৫৯ রান করেন। দুজনেই মেরেছিলেন পাঁচটি করে চার ও তিনটি করে ছয়।
তবে এবিডিকে শুধু আগ্রাসী ব্যাটার ভাবা ভুল হবে বলেই মনে করেন বিরাট। এ জন্য তিনি মনে করালেন ২০১৫ সালে দিল্লি টেস্টের কথা। ২৯৭ বল খেলে এবিডি ৪৩ রান করেছিলেন টেস্ট বাঁচানোর জন্য। ২০০ বল খেলার পর বাউন্ডারি মারার চেষ্টার কথা মাথায় আসতেই পারে ব্য়াটারের। কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী যেমন খেলার কথা তেমনটাই করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স।












Click it and Unblock the Notifications