হঠাৎ করে স্বার্থের সংঘাতের বড় বিতর্কে জড়িয়ে গেলেন বিরাট
হঠাৎ করে স্বার্থের সংঘাতের বড় বিতর্কে জড়িয়ে গেলেন বিরাট
হঠাৎই স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে গেলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিরাট একটি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই সংস্থাই এখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সরকারি কিট স্পনসর এবং মার্চেন্ডাইজ। আর এখানেই বর্তমান সময়ে বিরাটের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ।

ভারতীয় দলের কিট স্পনসরে কোহলির বিনিয়োগ
বেঙ্গালুরুর নামি কোম্পানি গ্যালাক্টাস ফানওয়্যার টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেডে ৩৩.৩২ লক্ষ টাকার কম্পালসরি কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার (সিসিডি) দেওয়া হয়েছিল কোহলিকে। এই কোম্পানিরই অনলাইন গেমি প্ল্যাটফর্ম মোবাইল প্রিমিয়ার লিগ রয়েছে (যার নাম এমপিএল)। ২০২০ সালের নভেম্বরে গেমিং এই সংস্থাই সরকারিভাবে কিট স্পনসর হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আর অনেক আগে থেকেই এই সংস্থার সঙ্গে বিরাট যুক্ত রয়েছেন। সেই কারণেই এবার ভারত অধিনায়কের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠে গেল।

শুধু বিরাট নয়, একাধিক ক্রিকেটার যুক্ত রয়েছেন
শুধু বিরাট নয়, সংস্থার গেমিং অ্যাপটির সঙ্গে রবীন্দ্র জাদেজা, ঋষভ পন্থ, লোকেশ রাহুল, উমেশ যাদব, কুলদীপ যাদব, শুভমান গিল সহ একাধিক ক্রিকেটারদের নামও যুক্ত রয়েছে। ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে বিরাট এই সংস্থায় হয়ে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে ভারত অধিনায়ককে বহুবার এই প্ল্যাটফর্মকে এনডোর্স করতে দেখা গিয়েছে।

বিরাটের বিরুদ্ধে হঠাৎ করেই স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ
হঠাৎ করে কোহলির বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যাওয়ার পরই বোর্ডের কর্তারা নড়েচড়ে বসেছেন। কোহলির বিনিয়োগের ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে সংস্থার এক কর্তা জানান।

বোর্ড কর্তা কী বললেন
তিনি বলেছেন, 'সব ক্রিকেটারের বিনিয়োগের খতিয়ান রাখা কখনই সম্ভব নয়।' তবে বিষয়টি যে, বিসিসিআইয়ের সংবিধানের নিয়মবিরুদ্ধে,ঐ কর্তা সেটা মেনে নিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications