Virat Kohli: টি২০ বিশ্বকাপে কোহলির আত্মবিশ্বাস দ্রাবিড় কীভাবে বাড়ান? ইগো সম্পর্কেও বিরাট আত্মোপলব্ধি
Virat Kohli: টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করানোর ক্ষেত্রে বড় অবদান রেখেছেন। যদিও তার আগে মোটেই মসৃণ পথে চলতে পারেননি বিরাট কোহলি।
সেই সময়কার অভিজ্ঞতা ফাইনালের সেরা কোহলি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে। বিস্তারিতভাবেই।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে আমন্ত্রিত ছিল ভারতের টি২০ বিশ্বকাপজয়ী দল। সেখানেই বিরাট কোহলি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল আমি ভুলব না, তার কারণ এই টুর্নামেন্টে দলের চাহিদামতো আমি খেলতে পারছিলাম না।
বিরাট জানান, একটা সময় তিনি রাহুল দ্রাবিড়কে বলেছিলেন দলের প্রতি, নিজের প্রতি সুবিচার করতে না পারার কথা। দ্রাবিড় তখন কোহলিকে বলেন, "পরিস্থিতির প্রয়োজনে তুমি পারফর্ম করতে পারবে, সেই আত্মবিশ্বাস আমার রয়েছে।" তবুও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না বিরাট। তিনি জানান, টুর্নামেন্টে যেভাবে খেলেছেন তাতে ফাইনালে যেভাবে ব্যাট করতে চান, সেভাবে পারবেন কিনা তা নিয়েও আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগছিলেন।
ফাইনালে মার্কো জানসেনের প্রথম ওভারেই তিনটি চার মারেন কোহলি। তাঁর কথায়, চার বলে তিনটি চার মারার পর রোহিতকে বলি, কী খেলাই না আমরা খেলছি! যেদিন মনে হয় একটাও রান করতে পারব না, কিন্তু সেদিন সব কিছু ঠিকঠাক চলতে থাকে।
বিরাট কোহলি বলেন, যখন তিনটি উইকেট পড়ে গেল, পরিস্থিতির কাছে আমাকে আত্মসমর্পণ করতেই হলো। আমার ফোকাস তাতেই ছিল যা দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাকে যেন ঠেলে ওই পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়া হলো, যার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারছি না। পরে বুঝতে পারি, যা ভাগ্যে লেখা রয়েছে সেটাই হবে। এমনকী যেভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরল, আমরা জিতলাম তখন আমাদের মনের মধ্যে কী চলছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
বিরাটের কথায়, একটা সময় আমরা আশা হারিয়েছিলাম। তখনই হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে হেইনরিখ ক্লাসেন আউট হলেন। এরপর প্রতিটি বল ম্যাচে আমাদের রাশ জাঁকিয়ে বসতে সহায়ক হলো। বড় মঞ্চে কিছু অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। আমি এই ফাইনাল ভুলতে পারব না।
বিশ্বকাপের সময় পরিবারের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান মোদী। বিরাট বলেন, দুই দেশের সময়ের ব্যবধান অনেকটাই ছিল। ফলে পরিবারের সঙ্গে খুব বেশি কথা হতো না। তাতে মা বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তেন।
ইগো সম্পর্কে কোহলির আত্মোপলব্ধিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোহলি বলেন, যখন মনে হবে আমি সব কিছু করতে পারি, ততই ইগো জাঁকিয়ে বসে। যার মনে এমন ভাবনা আসে সে খেলা থেকে দূরে সরতে থাকে। সে কারণে আমি ইগো সরিয়ে রাখি। নিজের কথা ভুলে দলের কথা ভাবা উচিত। যখন কেউ খেলাকে সম্মান করবে, তখন খেলাও তাকে সম্মান করবে। সেটাই আমি অনুভব করেছি।












Click it and Unblock the Notifications