Hardik-Natasa Divorce: কেন বিবাহবিচ্ছেদ হল হার্দিক-নাতাশার? অবশেষে প্রকাশ্যে এল আসল কারণ
চমক দিয়েই বিবাআহিত জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেকন হার্দিক-নাতাশা। কিন্তু তারকা দম্পতি একসঙ্গে বেশিদিন ঘর করতে পারলেন না। কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁদের বিবাহিত জীবনে ইতি ঘটল। কেন ভাঙল তাঁদের সম্পর্ক? নেপথ্যের কারণ কী? এই নিয়ে নানা মুনির নানা মত। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম হার্দিক-নাতাশার বিয়ে কারণ সামনে এনেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, ক্রিকেটার হার্দিক অত্যন্ত ভালো কিন্তু মানুষ হিসেবে ভীষণই আত্মকেন্দ্রীক। নিজের মেজাজেই সবসময় থাকেন। নিজের কথা ছাড়া আর কিছুই নাকি ভাবতে পারেন না হার্দিক। পাণ্ডিয়ার এই আচরণ দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক কষ্ট দিয়েছে নাতাশাকে। স্ত্রী হিসেবে হার্দিকের সঙ্গে বার বার আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন।'

সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও জানিয়েছেন, হার্দিকের পছন্দ-অপছন্দের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁর স্ত্রী। তবে শেষপর্যন্ত নাতাশা আর সেটা পেরে ওঠেননি। হার্দিক নিজেকে নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। নিজেকে নিয়েই ওঁর জগৎ। নাতাশা আর সহ্য করতে পারেননি। ক্রমশ বুঝতে পেরেছেন তাঁর চেনা হার্দিকের সঙ্গে স্বামী হার্দিকের অনেক পার্থক্য আছে। নতাশা শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।'
এই মুহূর্তে ছেলে অগস্ত্যকে নিয়ে সার্বিয়া চলে গিয়েছেন নাতাশা। জানা গিয়েছে স্ত্রী-র সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। তাঁরা যে যৌথভাবেই সন্তানকে বড় করবেন সে কথা বিচ্ছেদ-বার্তায় জানিয়েছিলেন দু'জনেই। বিয়ে ভাঙলেও দু'জনের মধ্যে কিন্তু বন্ধুত্ব আজও বর্তমান।
২০২০ সালে আইনি বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সন্তান আসার খবর দিয়েছিলেন হার্দিক-নাতাশা। এরপর সেবছরেরই জুলাইতে জন্ম হয়েছিল তাঁদের ছেলে অগস্ত্যর। কয়েকমাস ধরেই ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের বিবাহিত জীবন নিয়ে আলোচনা চলছিল। গত মার্চ মাসে ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে পান্ডিয়া পদবি সরিয়ে দেন নাতাশা। এমনকি হার্দিকের সঙ্গে তোলা সমস্ত ছবিও মুছে ফেলেন তিনি।
হার্দিক-নাতাশা যুগ্ম বিবৃতি দিয়ে ডিভোর্সের কথা নেটদুনিয়ায় জানিয়েছেন কয়েক মাস আগেই। বিচ্ছেদ হলেও একমাত্র ছেলে অগস্ত্যকে একসঙ্গেই বড় করবেন তাঁরা। এমনটাই জানিয়েছেন ছেলের বাবা-মা।
গত ১৮ জুলাই তারকা দম্পতি তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। সমাজ মাধ্যমে তাঁরা লিখেছিলেন, চার বছর একসঙ্গে থাকার পর আমরা মিলিতভাবেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে আমাদের দুজনেরই ভাল হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন ছিল বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications