Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বিশ্বকাপের আগেই দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছিল ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলকে, কারণটা জানলে চমকে উঠবেন

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যশ ঢুলের নেতৃত্বাধীন ভারত। অপরাজেয় থেকে। কিন্তু জানেন কি, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে বিশ্বকাপ না খেলেই দেশে ফিরে আসতে হতো ভারতের অন্তত ৭ ক্রিকেটারকে? যাঁদের মধ্যে ছিলেন বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর অঙ্গকৃষ রঘুবংশী ও বাংলার রবি কুমার।

কঠিন চ্যালেঞ্জ

কঠিন চ্যালেঞ্জ

যে দাপট দেখিয়ে ভারত বিশ্বকাপে বাজিমাত করেছে তাতে ঢাকা পড়ে গিয়েছে দলে করোনার থাবা বসানোর ঘটনা। করোনামুক্ত হয়ে মাঠে ফিরেই দুরন্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন যশ ঢুলরা। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এটাই ভারতের একমাত্র চ্যালেঞ্জ ছিল না। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে প্রবেশের অনুমতিই দেওয়া হচ্ছিল না ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ না নেওয়া সাত ক্রিকেটারকে। তাঁদের ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে থাকতে হয়। তাও আবার দুবাই থেকে আমস্টারডাম হয়ে দীর্ঘ বিমানযাত্রার শেষে পোর্ট অব স্পেনে পৌঁছানোর পর। সরকারি হস্তক্ষেপে অবশ্য পরে মেলে বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি।

তিক্ত অভিজ্ঞতা

তিক্ত অভিজ্ঞতা

ভারতীয় দলের ম্যানেজার লবজ্যাং জি তেনজিং আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের সহযোগিতায় ক্রিকেটারদের মুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, পোর্ট অব স্পেনে পৌঁছানোর পর চার্টার্ড বিমানে গায়ানা পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণে সাত ক্রিকেটারকে আটকে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন দফতরের আধিকারিকদের জানাই যে, ভারতে এই বয়সের ক্রিকেটারদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়নি। কিন্তু তাঁরা পরের বিমানেই ক্রিকেটারদের দেশে ফিরে যাওয়ার নিদান দেন। বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষীরা এমনভাবে ঘিরে রেখেছিলেন যেন আমরা পালাতে না পারি। কথাবার্তা চলার ফাঁকেই বিমান ছেড়ে দেয়। পরের বিমান ছিল তিন দিন পরে। স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে কথাবার্তা চালানোর সময় পেলেও রাত কাটাতে হয়েছিল বিমানবন্দরের কাছেই একটি হোটেলে, যা মোটেই ভালো মানের নয়। কষ্টদায়ক পরিস্থিতিতে কাটানোর পর আইসিসি ও সেখানকার সরকারের হস্তক্ষেপে অবশ্য সমস্যার সমাধান হয়।

কীভাবে ছড়াল সংক্রমণ?

কীভাবে ছড়াল সংক্রমণ?

এই ঘটনা ঘটে জানুয়ারিতে যখন ভারতে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সের সকলকে ভ্যাকসিন প্রদানের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এরপরই পাঁচ ক্রিকেটার ও পুরো প্রশাসনিক টিমই করোনা আক্রান্ত হয়। ভ্যাকসিন না নেওয়া ক্রিকেটাররা মুক্তি পাওয়ার পর গায়ানাতে দলের সঙ্গে যোগ দেন। কিন্তু করোনা সংক্রমণের জেরে ভারতীয় দলের প্রস্তুতিও ব্যাহত হয় বলে জানিয়েছেন সিকিম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান তেনজিং। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় অধিনায়ক যশ ঢুল ও সহ অধিনায়ক শেখ রশিদ লিগ পর্বের তিনটি ম্যাচের দুটিতেই খেলতে পারেননি। দলের এসএলও রবীন্দ্রন দুবাই থেকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর মধ্যেই করোনার কবলে পড়েছিলেন। গায়ানায় আইসোলেশনে থাকাকালীন তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রবীন্দ্রনের থেকেই সংক্রমণ ছড়ায়, একে একে আক্রান্ত হন তেনজিং ও লজিস্টিক ম্যানেজার। রিপোর্ট আসতে ৪৮ ঘণ্টা লাগছিল। এতেও সমস্যা দেখা দেয়।

ভেঙে পড়েছিল সিস্টেম

ভেঙে পড়েছিল সিস্টেম

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে একযোগে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল আইসিসি। কিন্তু আয়োজকদের অলস ভাব ও জঘন্য পরিকাঠামোও সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ ছিল বলে অভিযোগ। অ্যান্টিগায় কোনও অসুবিধা হয়নি। কিন্তু গায়ানায় খুব কঠিন সময় কাটিয়েছেন ঢুলরা। চিকিৎসক, ওষুধ, চিকিৎসা পরিকাঠামোর মাধ্যমে সহায়তা-প্রদান কোনও কিছুই ছিল না। হোটেলে আলাদা কোনও ফ্লোর ছিল না। হোটেলে অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গেই ছিল গোটা দল। করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর পর অবস্থা সামাল দেন ভারতীয় দলের ফিজিও। টিম হোটেলের ঘরগুলিতে জলের সমস্যাও ছিল। খাবার নিয়েও সমস্যা ছিল। তবে হোটেলের কাছে কয়েকটি ভারতীয় রেস্তোরাঁ থাকায় কিছুটা সুরাহা হয়। এমনকী স্টেডিয়ামের ওয়াশরুমেও জলের সমস্যা ছিল। বিসিসিআই যেখানে জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে, সেখানে আইসিসির ইভেন্টে ভেঙে পড়েছিল গোটা সিস্টেম। তার মধ্যেই কাপ নিয়ে ফিরেছেন ঢুলরা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+