লাথামের অধিনায়কোচিত ইনিংসে ক্রাইস্টচার্চে চালকের আসনে নিউজিল্যান্ড, টেস্টে অনন্য নজির কনওয়ের
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে বাংলাদেশের কাছে টেস্টে পরাজয়ের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে প্রথম দিনেই চালকের আসনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সারাদিনে একটির বেশি উইকেট তুলতে ব্যর্থ বাংলাদেশের বোলাররা। দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড ৯০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৪৯ রান তুলে ফেলেছে। দ্বিশতরান থেকে ১৪ রান দূরে অধিনায়ক টম লাথাম। আর ১ রান পেলেই শতরান করবেন ডেভন কনওয়ে।
|
নজির গড়ল নিউজিল্যান্ড
ব্যক্তিগত ৫৪ রানে আউট হয়েছেন উইল ইয়ং। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১৪৮ রান। ২০১২ সালের পর নিউজিল্যান্ডে এই প্রথম কোনও টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে ১০০-র বেশি রান উঠল। ২০০০ সালে হ্যামিলটন টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় উইকেট পড়েছিল ২৮৯ রানে। টম লাথাম ও ডেভন কনওয়ের ব্যাটে ভর করে প্রথম দুই উইকেটে সবচেয়ে বেশি রান ওঠার সেই নজিরটিও ভেঙে গেল। ইতিমধ্যেই কনওয়ে ও লাথাম অবিচ্ছেদ্য দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ২০১ রান।

অধিনায়ক হিসেবে প্রথম
অধিনায়ক হিসেবে এদিনই প্রথম শতরানটি পেলেন লাথাম। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ওয়েলিংটন টেস্টে নিজের সর্বাধিক ১৭৭ রানের রেকর্ডটিও আজ পেরিয়ে গেলেন। ১৭টি চারের সাহায্যে ১৩৩ বলের মাথায় শতরান পূর্ণ করার পর ১৫০ রান পূর্ণ করতে নেন ১৯৯ বল। ১৫০ রান করা অবধি তিনি ২৫টি চার মেরেছিলেন। দিনের শেষে ২৮টি চারের সাহায্যে ২৭৮ বলে ১৮৬ রান করে ক্রিজে রয়েছেন লাথাম। ইয়ং করেছেন ১১৪ বলে ৫৪।
|
কনওয়ের রেকর্ড
ডেভন কনওয়ে ১০টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ১৪৮ বলে ৯৯ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। তাঁর অর্ধশতরানটি এসেছিল ৮৩ বলে। অভিষেকের পর থেকে পরপর পাঁচটি টেস্টেই তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০-এর বেশি রান করার নজির গড়লেন। এখনও অবধি ৫ ম্যাচে ৯ ইনিংসে তাঁর মোট রান ৬১৩, সর্বাধিক লর্ডসে অভিষেকে ২০০ রান। গড় ৭৬.৬২, কাল শতরান পূর্ণ করলে সেটি হবে তাঁর কেরিয়ারের তৃতীয় টেস্ট শতরান। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে দেশের মাটিতে প্রথম শতরানটি পেয়েছিলেন, ফের শতরানের দোরগোড়ায় ক্রাইস্টচার্চে। লর্ডস টেস্টে করেছিলেন ২০০ ও ২৩। বার্মিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে করেন ৮০ ও ৩। ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সাউদাম্পটনে করেন ৫৪ ও ১৯। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ১২২ ও ১৩।
|
নির্বিষ বোলিং
৯০ ওভারের মধ্যে ৪৩টি বাউন্ডারি ও ১টি ওভার বাউন্ডারি হজম করতে হয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। প্রথম টেস্টে জয়ের নায়ক এবাদত হোসেন ২১ ওভারে খরচ করেছেন ১১৪ রান, ইকনমি ৫.৪২। টেস্টের ৩৮তম ওভারের শেষ বলে একমাত্র উইকেটটি পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম, ১৮ ওভারে তিনি দিয়েছেন ৫০ রান। শরিফুল ছাড়া তাস্কিন আহমেদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত সকলের ইকনমিই তিনের উপর।












Click it and Unblock the Notifications