আইপিএল ও টি ২০ বিশ্বকাপে বোলিং করতে পারবেন হার্দিক? চিন্তায় রাখছে ফিটনেস
শ্রীলঙ্কা সফরেও পুরোদমে বোলিং করতে পারেননি হার্দিক পাণ্ডিয়া। ক্রুণাল পাণ্ডিয়া করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হার্দিককেও চলে যেতে হয় আইসোলেশনে। ফলে শেষ দুটি টি ২০ ম্যাচেও খেলতে পারেননি। ভারতীয় অলরাউন্ডার টি ২০ বিশ্বকাপের জন্য কতটা ফিট, সেটা নিয়েই এখন সকলের মনে প্রশ্ন। কেন না, টি ২০ বিশ্বকাপে তাঁর বোলিংয়ের উপরও আস্থা রাখতে হবে বিরাট কোহলিকে। এই মুহূর্তে হার্দিক রয়েছেন বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমিতে।

নজরে ওয়ার্কলোড
পুরোদমে বোলিং করতে পারছেন না বলে ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলেও রাখা হয়নি হার্দিককে। এনসিএ তথা শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতী দলের বোলিং কোচ পরশ মামরে জানিয়েছেন, হার্দিক এখনও পুরো ফিট নন। তবে টি ২০ বিশ্বকাপে বোলিং করতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এটা নির্ভর করবে আইপিএলে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের উপরেও।

পুরো ফিট নন
পরশ মামরে জানিয়েছেন, হার্দিকের ফিটনেস ধীরগতিতে হলেও উন্নত হচ্ছে। বেশি ওভার বোলিংয়ের জন্য জোর করা হচ্ছে না। তাঁর সামগ্রিক ফিটনেসের দিকে নজর রেখেই তাঁকে নিয়ে পরিকল্পনা করছি। আমরা জানি, টি ২০ বিশ্বকাপে হার্দিকের মতো ক্রিকেটারের কতটা গুরুত্ব। সে কথা মাথায় রেখেই তাঁর বোলিং ওয়ার্কলোডের দিকে নজর রাখছি। তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। তারই সঙ্গে পুরোদমে বোলিং করলে অন্য দিগন্ত খুলে যাবে। স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং বিভাগ এবং ফিজিওরাও হার্দিককে সর্বক্ষণ নজরে রেখেছেন। সবকিছু পরিকল্পনামাফিকই চলছে। অর্থাৎ মামরের কথায় একটা বিষয় পরিষ্কার, হার্দিক পুরোদমে বোলিং আইপিএলেও করতে পারবেন না।

আইপিএলেই অগ্নিপরীক্ষা
শ্রীলঙ্কা সফরে হার্দিক তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিকে ১৪ ওভার বল করেছিলেন। ৬.৯২ ইকনমি ও ৪৮.৫ গড় রেখে পেয়েছিলেন দুটি উইকেট। প্রথম টি ২০ ম্যাচে দুই ওভারের বেশি বল করতে পারেননি। আইপিএলের আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫টি টি ২০ আন্তর্জাতিকে হার্দিক ১৭ ওভার বল করেছিলেন। ৬.৯৪ ইকনমি রেখে তিনটি উইকেট সংগ্রহ করেন। পাঁচটির মধ্যে তিনটি ম্যাচে চার ওভারের কোটা পূরণ করতে সক্ষম হন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে ৯ ওভার বল করেছিলেন, ইকনমি ছিল ৫.৩৩। টি ২০ বিশ্বকাপে যাতে তিনি চার ওভারের কোটা সম্পূর্ণ করার জায়গায় পৌঁছান তা নিশ্চিত করতেই যাবতীয় প্রস্তুতি চলছে। মামরে বলেছেন, হার্দিক আইপিএলেও বোলিং করতে পারবেন। কীভাবে তাঁকে ব্যবহার করা হবে সেটা ফ্র্যাঞ্চাইজিদের উপর। ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করে হার্দিক টি ২০ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতও হতে পারবেন আইপিএলেই। উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলে সাতটি ম্যাচে এক ওভারও বোলিং করতে পারেননি হার্দিক। ব্যাট হাতে ৭ ম্যাচে করেছেন ৫২ রান, সর্বাধিক ১৬।

এনসিএ-তে নতুন কোচ
এদিকে, এনসিএ-র হেড অব ক্রিকেট পদে রাহুল দ্রাবিড়ই ফের আবেদন করেছেন। আর কোনও আবেদন জমা পড়েনি। যদিও আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে ৩১ অগাস্ট অবধি। এনসিএ-তে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং কোচের নিয়োগও নতুন করে হবে। ব্যাটিং কোচ হিসেবে বর্তমানে রয়েছেন হৃষিকেশ কানিতকার ও শিবসুন্দর দাস। বোলিং কোচ রমেশ পওয়ার (স্পিন) ও সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (পেস)। হেড অব ক্রিকেট এডুকেশন পদে আছেন সুজিত সোমসুন্দর। ব্যাটিং, দুই ধরনের বোলিং ও ফিল্ডিং কোচের জন্য আবেদনের সময়সীমা ধার্য হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ৬০ বা তার কম।












Click it and Unblock the Notifications