IND vs NZ: নিউজিল্যান্ডের জেতা সহজ হবে না, ম্যাচ এখনও ভারতের হাতে, দাবি সরফরাজের
IND vs NZ: বেঙ্গালুরু টেস্টে জিততে নিউজিল্যান্ডের শেষ দিন প্রয়োজন ১০৭ রান। যদিও এই রান তোলা কিউয়িদের সহজ হবে না, দাবি সরফরাজ খানের।
সরফরাজ এদিন দেশের হয়ে প্রথম শতরানটি পেলেন। ঋষভ পন্থের সঙ্গে মূল্যবান পার্টনারশিপ গড়লেন। তারপরও তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ।

সরফরাজের কথায়, ভালো লাগছে শতরান পেয়ে। ছোটবেলায় যখন খেলা শুরু করি তখন লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে খেলা। দেশের হয়ে সেঞ্চুরি করা। আমার বাড়িতে বাউন্সি উইকেটের বন্দোবস্ত আছে। সেখানে প্র্যাকটিস করায় আজ শর্ট পিচ বল খেলতে অসুবিধা হয়নি।
বেঙ্গালুরুতেই দলীপ ট্রফিতে ভারতীয় বি দলের হয়ে ভারতীয় এ দলের ম্যাচ ছিল। সেই ম্য়াচেও ২২ রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সরফরাজ ও ঋষভ পন্থ ৭২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দ্বিতীয় ইনিংসে। সেই ম্যাচে পন্থ ৬১ ও সরফরাজ করেছিলেন ৪৬।
সরফরাজ বলেন, পন্থকে বলেছিলাম সেই দলীপ ম্যাচের মতোই পরিস্থিতি। কাউন্টার অ্যাটাকে দ্রুত রান তোলার দরকার। সে কারণেই বাঁহাতি স্পিনাররা যখন বোলিং করছিলেন তখন পন্থকে স্ট্রাইক দিই। জানতাম বড় শট নিতে পারবেন। জোরে বোলারদের আমি ভালো সামলাচ্ছিলাম। ফলে আগ্রাসী ব্যাটিংই আমাদের লক্ষ্য ছিল।
এদিন ভাইরাল হয়েছে সরফরাজ ও পন্থের রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেটস। যেখানে হাত নেড়ে, লাফিয়ে সরফরাজ পন্থকে দ্বিতীয় রান না নেওয়ার ইশারা করছিলেন। তাঁর লম্ফঝম্প দেখে রোহিত শর্মা থেকে ড্রেসিংরুমের সতীর্থরাও হাসি চেপে রাখতে পারেননি। সেই ঘটনার কথাও জানালেন সরফরাজ।
সরফরাজের কথায়, বলটি যখন গালির দিকে খেলি তখন দুই রান নেওয়ার কথাই বলেছিলাম। কিন্তু পন্থ দ্বিতীয় দিন হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। সেই কথাটি মাথায় আসতেই ভাবি, কীভাবে দ্রুত দৌড়াতে পারবেন পন্থ? সে কারণে তাঁকে হাত নেড়ে রান নিতে বারণ করি। কিন্তু আমার দিকে পন্থ তাকাননি। ফলে ওইরকম পরিস্থিতি হয়েছে। ঈশ্বর সহায়, ওই সময় উইকেট হারাইনি আমরা।
ঘরোয়া ক্রিকেটে লাগাতার রান করেও জাতীয় দলের দরজা খুলছিল না। এমনকী ইংল্যান্ড সিরিজে ভালো খেলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুটি টেস্টে দলে সুযোগ পাননি। কীভাবে নিজেকে মোটিভেট করেন? সরফরাজের উত্তর, প্রসেস ফলো করি। বিগত চার-পাঁচ ধরে যেটা করেছি সেই রান করে যাওয়াই আমার লক্ষ্য থাকে। অন্য কিছু নয়।
সরফরাজ জানান, অনুশীলনে নিজের খামতি মেটানোর চেষ্টা করেন। নিজের বাবার সঙ্গেও কথা বলেন। তিনিই মোটিভেট করেন ছেলেকে। সরফরাজের দাবি, বেঙ্গালুরু টেস্ট এখনও ভারতের হাত থেকে বেরোয়নি। তিনি বলেন, উইকেট সহজ নয়। বল কাট করছে। আমরা ২-৩ উইকেট দ্রুত তুলে নিতে পারলে ওরাও সমস্যায় পড়ে যাবে।
আজ নিউজিল্যান্ড মাত্র চার বল খেলে। তাতেই তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের জোরালো আবেদন উঠেছিল। ভারত রিভিউ নিয়ে লাভবান হয়নি। সেই সময় বেঙ্গালুরুর আকাশে কালো মেঘ। ফ্লাডলাইট জ্বেলে খেলা হচ্ছিল। আলোর অভাব দেখিয়ে ম্য়াচ বন্ধ করেন আম্পায়াররা।
নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে যান। সেই সময় মাঠে দাঁড়িয়ে আম্পায়ারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের। তাঁরা ম্যাচ বন্ধে অসন্তুষ্টই ছিলেন। যদিও এর সামান্য পরেই বৃষ্টি নামে। ভারত চেয়েছিল আজই কয়েকটি উইকেট তুলে নিতে। ৩৬ বছর পর দেশের মাটিতে কিউয়িদের কাছে হার বাঁচাতে ভারত যে মরণ কামড় দিতে চাইবে তা বলাই বাহুল্য।












Click it and Unblock the Notifications