ICC World Cup 2023: বাবরদের হতাশ করল শ্রীলঙ্কা, মেন্ডিসদের হারিয়ে সেমির লড়াই জমিয়ে দিল নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড। বৃহস্পতিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের দিকে কলকাতা থেকেই নজর ছিল বাবর আজমদের। কিন্তু শ্রীলঙ্কা কোনও সুখবর দিতে পারল না পাকিস্তানকে। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় পেল কিউয়িরা। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াইয়ে প্রবলভাবেই টিকে থাকল কেন উইলিয়ামসনের দল।
ইতিমধ্যেই পয়েন্ট টেবিলের অবস্থান অনুযায়ী বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে যথাক্রমে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া। বাকি একটি স্থানের জন্য লড়াই চালাচ্ছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় পেয়ে শেষ চারের দৌড়ে বাকি দুই দলের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিল কিউয়িরা।

টসে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। কিউয়িদের কাছে এই ম্যাচ ছিল কার্যত নক আউট। শুধু জিতলেই হবে না লক্ষ্য রখতে হবে রানরেটেও। শ্রীলঙ্কাকে দ্রুত অলআউট করতে শুরু থেকেই মরিয়া ছিলেন ট্রেন্য বোল্টরা। শুরু থেকেই কিউয়ি বোলারদের সামনে কার্যত আত্মসমর্পন করেন দ্বীপরাষ্ট্রের ব্যাটাররা।
একমাত্র কিছুটা লড়াই করলেন কুশল পেরেরা। চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম অর্ধশতরানকারীর তালিকাতেও নাম লেখালেন শ্রীলঙ্কান এই ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৫১ রান করে আউট হন পেরেরা। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি চার এবং দুটি ছক্কা দিয়ে। ১২৮ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে বসেছিল শ্রীলঙ্কা। শেষ উইকেটে লড়াই করলেন থিকসানা এবং দিলসান জুটি। শেষ জুটিতে ৪৩ রান করে দলের সম্মান কিছুটা বজায় রাখলেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেট নেন বোল্ট, দুটি করে উইকেট নেন রাচিন, ফার্গুসন ও স্যান্টানার। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন কিউয়ি ব্যাটারার। ওপেনিং জুটিতে উঠৎএ ৮৬ রান। ডেভন কনওয়ে ৪৫ এবং রাচিন রবীন্দ্র ৪২ রান করে আউট হন। নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল দ্রুত রান তোলা।
কেন উইলিয়ামসন করেন ১৪ রান। মিচেল করেন ৪৩ রান। এরপর গ্লেন ফ্লিপিসের ১৭ রানে ভর করে সহজেই জয়ের লক্ষ্য পৌঁছে যায় কিউয়িরা। শেষ পর্যন্ত ২৩.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুটি উইকেট নেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ।
সেইসঙ্গে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষ করল কিউয়িরা। তাঁদের রানরেট প্লাস ০.৭৪৩। অর্থ্যাত শেষ চারে থাকা অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলল কিউয়িরা।
ম্যাচের সেরা হন ট্রেন্ট বোল্ট। তাঁর কথাতেও এল সেমিফাইনাল প্রসঙ্গ। বোল্ট বলেন, আমাদের কাছে মাস্ট উইন গেম ছিল। অবশ্যই চাপ ছিল আমাদের উপর। তবে শেষচারে থাকতে পেরে ভালো লাগছে। এখানে ভিন্ন পরিবেশে খেলা সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রত্যেকই চাইবে শক্তিশালী ঘরের দলের বিরুদ্ধে খেলতে (সেমিফাইনাালে)। এখন দেখা যাক কী হয়।












Click it and Unblock the Notifications