ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নয় ইডেনে? বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ দ্বৈরথ আয়োজনে এগিয়ে কোন শহর?
আইসিসির ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ অক্টোবর মাস থেকে শুরু হচ্ছে ভারতে। এখনও ক্রীড়াসূচি তৈরি হয়নি। প্রাথমিকভাবে ১২টি শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পাকিস্তানের ম্যাচগুলি। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।
২০১৬ সালে টি ২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সফলভাবে আয়োজন করেছিল ইডেন গার্ডেন্স। যদিও আসন্ন বিশ্বকাপের ভারত-পাক ম্যাচ ইডেন পাচ্ছে না। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হাইভোল্টেজ ম্যাচ আয়োজনে এগিয়ে আমেদাবাদ।

আমেদাবাদের মোতেরায় বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। সেখানেই ভারত-পাক দ্বৈরথ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা বলে জানা যাচ্ছে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে মোহালিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয়েছিল। পাকিস্তান থেকেও অনেক ক্রিকেটপ্রেমী এসেছিলেন। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপের সম্ভাব্য কেন্দ্রগুলির তালিকায় নেই মোহালি।
২০১৬ সালের টি ২০ বিশ্বকাপ হয়েছিল ইডেনে। প্রস্তুতি ম্যাচ-সহ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি আয়োজন করার জন্য নাগপুর, বেঙ্গালুরু, ত্রিবান্দ্রম, মুম্বই, দিল্লি, লখনউ, গুয়াহাটি, হায়দরাবাদ, কলকাতা, রাজকোট, ইন্দোর, বেঙ্গালুরু ও ধরমশালাকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে বোর্ডসূত্রে খবর। এর মধ্যে ভারতের ম্যাচগুলি হবে সাতটি স্টেডিয়ামে।

ভারত যদি ফাইনালে ওঠে তাহলে একমাত্র আমেদাবাদই ভারতের দুটি ম্যাচ পাবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের বেশিরভাগ ম্যাচ চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুতে হবে বলে ঠিক রয়েছে। কলকাতাতেও পাকিস্তানের ম্যাচ ফেলার সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ ম্যাচ পড়বে কলকাতা ও গুয়াহাটিতে।
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই দক্ষিণ ভারতে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ করে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতীয় দল কোথায় খেলতে পছন্দ করবে তা টিম ম্যানেজমেন্টের কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচগুলি এমন জায়গায় ফেলতে অনুরোধ করা হয়েছে যেখানে স্পিনাররা সাফল্য পান।

বিসিসিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শক্তিধর দেশগুলির বিরুদ্ধে হোম অ্যাডভান্টেজ কাজে লাগাতে ভারত স্লো পিচে খেলতে চাইছে। বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা তাদের পছন্দসই ম্যাচের তালিকা জমা দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ চেন্নাইয়ে পড়ার সম্ভাবনা। লখনউ, দিল্লিও ভারতের ম্য়াচ পেতে পারে।
দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে দর্শক স্বাচ্ছন্দ্য সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বিসিসিআই। পরিষ্কার শৌচালয়, সহজে স্টেডিয়ামে প্রবেশের সুবিধা, পরিষ্কার দর্শকাসন অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। আইপিএল শেষ হলেই বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কলকাতার ভাগ্যে কোন ম্যাচ জোটে সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications